প্রকাশ: শুক্রবার, ১ মার্চ, ২০২৪, ৮:২৯ পিএম আপডেট: ০১.০৩.২০২৪ ৯:২০ পিএম (ভিজিট : ১৯৫)

X
শুক্রবার (১ মার্চ) মিরপুরের শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৫৪ রান তুলেছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৮ রান করেছেন অঙ্কন।
আসরজুড়ে দাপট ছিল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের ব্যাটারদের। তবে ফাইনালে এসে ছন্নছাড়া ভিক্টোরিয়ান্স ব্যাটিং লাইনআপ। একাধিক ব্যাটার উইকেটে থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি। এই তালিকায় আছেন লিটন দাস, তাওহীদ হৃদয় কিংবা জনসন চার্লসের মতো তারকারা। শেষদিকে আন্দ্রে রাসেলের ক্যামিওতে লড়াই করার পুঁজি পায় কুমিল্লা।
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারেই উইকেট হারায় কুমিল্লা। কাইল মেয়ার্সের তৃতীয় বলে সুনিল নারিনের ক্যাচ ছেড়ে দিলেও পঞ্চম বলে আর সুযোগ হাতছাড়া করেননি ওবেদ ম্যাককয়। শর্ট ফাইন লেগে দারুণ ক্যাচ নেন ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান পেসার। পরের ওভারে সাইফউদ্দিনকে পিটিয়ে ১৪ রান তুলে তাওহীদ হৃদয়-লিটন দাস জুটি।
হৃদয় বিদায় নেন চতুর্থ ওভারে। জেমস ফুলারের বলে ডিপ থার্ডম্যান অঞ্চলে তার ক্যাচ নেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ১০ বলে ১৫ রান করেন কুমিল্লার এ ব্যাটার। মারতে থাকা লিটন দাস ফুলারের বলে নান্দনিকভাবে কাট করলেও বল সীমানা ছাড়া হয়নি। তা লুফে নেন রিয়াদ। ১২ বলে ১৬ রান করেন কুমিল্লা দলপতি।
ব্যর্থতার বৃত্তে ঘুরপাক খেতে থাকা জনসন চার্লস এদিনও রান পাননি। শম্বুকগতির ইনিংসে ১৭ বলে ১৫ রান করে ম্যাককয়ের ওভারে আউট হন তিনি। এরপর মঈন আলিকে নিয়ে ইনিংস ধরে রাখায় মনযোগী হন মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। মঈন মাত্র ৩ রান করে রানআউট হন মেহেদী হাসান মিরাজের দারুণ এক থ্রোয়ে।
পাঁচ উইকেট চলে যাওয়ার পর জাকের আলিকে নিয়ে কুমিল্লার সংগ্রহ একশ পার করেন মাহিদুল। বিপদের সময় হাল ধরেও তিনি আউট হন খুবই বাজেভাবে। সাইফউদ্দিনের বল লেগে খেলতে গিয়ে অফের বল স্টাম্পে নিয়ে যান তিনি। ৩৫ বলে ৩৮ রান করেন মাহিদুল। রাসেলের ইনিংসে ছিল ৪টি ছয়ের মার।