প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৪, ১০:৫২ এএম আপডেট: ২৮.০৩.২০২৪ ১২:৩২ পিএম (ভিজিট : ১৯৪)

X
কুড়িগ্রাম যাচ্ছেন ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নাময়িগেল ওয়াংচুক। সেক পরিদর্শন করবেন ধরলার পাড়ের কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের মাধবরাম এলাকায় ভুটানিজ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের নির্ধারিত জায়গা।
বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টায় স্ত্রী জেৎসুন পেমা সহ ১৪ জন সফর
সঙ্গী নিয়ে সৈয়দপুর বিমান বন্দরে অবতনের পর সড়ক পথে এসে দুপুর সাড়ে ১২টায়
কুড়িগ্রাম সার্কিট হাউজে পৌঁছাবেন তিনি।
বাংলাদেশ ও ভুটান সরকারের যৌথ উদ্যোগে জিটুজি-ভিত্তিক প্রস্তাবিত ভুটানি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করবেন তিনি। সদর উপজেলায় ধরলাপাড়ে কুড়িগ্রাম-সোনাহাট স্থলবন্দর মহাসড়কের মাধবরাম গ্রামে গড়ে উঠতে যাচ্ছে বিশেষ এ অর্থনৈতিক অঞ্চল।
বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের নির্ধারিত স্থান থেকে ধরলার দূরত্ব প্রায় ৫০০ মিটার, কুড়িগ্রাম শহর এক কিলোমিটার, রেলওয়ে স্টেশন তিন কিলোমিটার, সোনাহাট স্থলবন্দর (ভারতের আসামের সঙ্গে যুক্ত) ৪৪ কিলোমিটার, চিলমারী নৌ-বন্দর ৩৪ কিলোমিটার রংপুর নগরী ৫২ কিলোমিটার ও লালমনিরহাট বিমানবন্দর ৩১ কিলোমিটার। অর্থনৈতিক অঞ্চলের সঙ্গে সড়ক, রেল, নৌ ও আকাশপথের ভালো যোগাযোগ আছে। তবে লালমনিরহাট বিমানবন্দরটি এখন চালু নেই।
কুড়িগ্রামের স্থানীয়রা মনে করছে, নদ-নদী ও চরাঞ্চল অধ্যুষিত এই জেলায় কৃষিজাত পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানাসহ শিল্পায়নের সুযোগ সৃষ্টি হবে। কুড়িগ্রামে ভুটানি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল আন্তর্জাতিক গেটওয়ে হিসেবে বিবেচিত হবে এবং এটি আন্তর্জাতিক কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে। জেলার সার্বিক চিত্র বদলে যাবে।
সেখানে দুপুরের ভোজ সেরে দেড়টায় অর্থনৈতিক অঞ্চলের জায়গা পরিদর্শন শেষে সড়ক পথে সোনাহাট স্থলবন্দর দিয়ে ভারত হয়ে নিজ দেশে যাবেন ভুটানের রাজা।
এদিকে ভুটানের রাজা আসার বিষয়টি ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্থানীয় ও ব্যবসায়ীরা। আর রাজাকে বরণে নিরাপত্তাসহ সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে প্রশাসন।
কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. সাইদুল আরীফ জানান, কুড়িগ্রাম সদ উপজেলার ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নে ভুটানিজ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য নির্ধারিত জায়গায় ১৫ মিনিট অবস্থান করবেন ভুটানের রাজা। তারপর সড়ক পথে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার সোনাহাট স্থলবন্দর দিয়ে ভারত হয়ে ভুটানে যাবেন। রাজার আগমনে সব ধরনের প্রস্তুতির নেয়া হয়েছে।