কিছুতেই স্বস্তি মিলছে না নিত্যপণ্যে

সোহেল রানা

জাতীয়

বেড়েছে চাল, ডাল, তেল-চিনি-আলু-পেঁয়াজের দামপণ্যের বাজারে রমজান মাসজুড়েই চলছে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য১৫ মার্চ সরকার মাছ-মাংসসহ ২৯ পণ্যের দাম নির্ধারণ

2024-03-30T15:22:54+00:00
2024-03-30T15:22:54+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
কিছুতেই স্বস্তি মিলছে না নিত্যপণ্যে
সোহেল রানা
প্রকাশ: শনিবার, ৩০ মার্চ, ২০২৪, ৩:২২ পিএম   (ভিজিট : ৩১৯)
X

বেড়েছে চাল, ডাল, তেল-চিনি-আলু-পেঁয়াজের দাম পণ্যের বাজারে রমজান মাসজুড়েই চলছে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য ১৫ মার্চ সরকার মাছ-মাংসসহ ২৯ পণ্যের দাম নির্ধারণ করে দিলেও কার্যকর হয়নি  বাজারের লাগাম টানতে গত ৮ ফেব্রুয়ারি খেজুর, চিনি, সয়াবিন তেল ও চাল আমদানিতে শুল্ক ছাড় দিলেও কাজে লাগেনি সরকারের শক্ত কোনো মনিটরিং না থাকায় বাজার নিয়ন্ত্রণে আসছে না
পণ্যের বাজারে রমজান মাসজুড়েই চলছে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য। সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি এলেও চাল, ডাল, তেল-চিনিসহ নিত্য পণ্যের দামে সুখবর নেই। সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে পেঁয়াজ-আলুর দাম। রোজার অর্ধেক সময় পেরিয়ে গেলেও মাছ ও মাংসের দাম এখনোও চড়া। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। সরকার গত ১৫ মার্চ মাছ-মাংসসহ ২৯ পণ্যের দাম নির্ধারণ করে দিলেও বাজার মনিটরিংয়ের আভাবে তা কার্যকর হয়নি। তাছাড়া বাজারের লাগাম টানতে গত ৮ ফেব্রুয়ারি খেজুর, চিনি, সয়াবিন তেল ও চাল আমদানিতে শুল্ক ছাড় দিলেও কাজে লাগেনি। এসবের কারণে নিম্ন ও মধ্যবিত্তের সংসার চালানো দায় হয়ে পড়েছে। রমজানে চরম ভোগান্তির মধ্য দিয়ে কাটছে তাদের জীবন। নিত্যপণ্যের বাজারে কিছুতেই স্বস্তি মিলছে না। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে নাভিশ্বাস উঠেছে ক্রেতা সাধারণের। চাল, ডাল, মাছ, মাংস, তেল, লবণ, ছোলা, চিনি শাক-সবজিসহ কোনো পণ্যের দামই নাগালের ভিতরে নেই। ভোক্তা সাধারণ বলছেন, সরকারের শক্ত কোনো মনিটরিং না থাকায় বাজার নিয়ন্ত্রণে আসছে না। পাইকারি ও খুচরা বাজারের বিক্রেতারা একে অন্যকে দোষারোপ করছেন।

প্রতিবছরের মতো এবারও রোজার আগে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল নিত্যপণ্য আমদানির শুল্ক কমানো হয়েছে। দামও কমবে। বাস্তবে হয়েছে উল্টো। তবে গত কয়েক দিন ধরে পিঁয়াজের দাম কিছুটা কমতির দিকে। খেজুর, চিনি, সয়াবিন তেল ও চাল আমদানিতে শুল্ক ছাড় দিলেও সয়াবিন তেল ছাড়া অন্য তিন পণ্যের শুল্ক ছাড়েও দাম কমেনি। ভ্রাম্যমাণ আদালত, বিএসটিআই, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মনিটরিং টিমের তৎপরতা বাড়িয়ে বাজারে ইতিবাচক কোনো প্রভাব ফেলা সম্ভব হয়নি।

গতকাল শুক্রবার নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মগবাজার ঃ আগে যে মোটা চালের (স্বর্ণা ও চায়না ইরি) কেজি ৫০-৫১ টাকা ছিল তা এখন ৫২-৫৩ টাকা। মাঝারি মানের চালের (পাইজাম ও বিআর-৮) কেজি ৫৫-৫৬ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৫৭-৬০ টাকা। আর মিনিকেট ও নাজিরশাইলের মতো সরু চালের কেজিপ্রতি দাম ৬২-৭৮ টাকা থেকে বেড়ে ৬৪-৮০ টাকা হয়েছে।
এদিকে রোজার শুরু থেকেই গরু, মুরগি, খাসিসহ সব ধরনের মাংসের দাম বেড়েই যাচ্ছে। প্রথমদিকে গরুর মাংস ৭৫০ টাকা কেজি থাকলেও আজ ৭৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ১১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি খাসির মাংস। পাশাপাশি কিছুদিন ধরে ২২০ টাকায় প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি পাওয়া গেলেও আজ তা বেড়ে ২৩০ টাকা হয়েছে।

বাজারে সোনালি মুরগি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৪০ টাকায়, কক মুরগি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ টাকায় এবং দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকায়।
রোজার শুরুতে বেগুনের কেজি ছিল ৮০ থেকে ১০০ টাকা যা এখন বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। শসার কেজি রোজার শুরুতে ছিল ১০০ টাকার ওপরে, এখন ৪০ থেকে ৬০ টাকা। একইভাবে লাউ, পেঁপে, মিষ্টি কুমড়াসহ ঝিঙ্গা, চিচিঙ্গা, করলার মতো সবজিগুলোর দাম গত সপ্তাহের তুলনায় কেজি প্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা কমেছে।

তবে পেঁয়াজের বাজার গত কয়েক সপ্তাহ ধরে নিম্নমুখী ছিল। এ মাসের শুরুতেও সরকারিভাবে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির খবরে ও হালি জাতের পেঁয়াজ বাজারে উঠতে শুরু করায় ১২০ টাকা কেজির পেঁয়াজের দর ৬০ টাকায় নামতে দেখা যায়। কিন্তু হুট করে গত ২৩ মার্চ বাজার নিয়ন্ত্রণে ভারত আবারও অনির্দিষ্টকালের জন্য পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এ খবরকে পুঁজি করে রাজধানীর বাজারে পেঁয়াজের দাম বাড়িয়েছেন ব্যবসায়ীরা। কয়েকদিনের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কেজিতে বেড়ে গেছে ২০ টাকা পর্যন্ত। বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়।
এদিকে আলুর দাম কেজিতে বেড়েছে ৫ টাকার মতো। গত সপ্তাহে প্রতি কেজি আলু বিক্রি হয়েছিল ৩৫ থেকে ৪০ টাকায়। এখন দাম আরও বেড়ে প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা।

সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হিসাবে, প্রতি কেজি চালের দাম গত এক সপ্তাহে দুই থেকে তিন টাকা বেড়েছে। বাজারে মোটা চালের কেজি গত এক সপ্তাহে ২ টাকা বেড়ে ৫২ টাকা হয়েছে। আর সরু চালের দাম বেড়েছে কেজিতে তিন টাকা।
মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, চাষের পাঙাশ প্রতি কেজি ২০০ থেকে ২২০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০ টাকা, চাষের শিং ৪৮০ থেকে ৫০০ টাকা, রুই মানভেদে ২৪০-৪০০ টাকা, চাষের কই ২৫০ টাকা, পাবদা মানভেদে ৪০০-৪৫০ টাকা, চিংড়ি ৮০০-১০০০ টাকা, কাতলা ৫০০-৬০০ টাকা, নলা ২০০ টাকা, টাটকিনি ২০০ টাকা ও সরপুঁটি বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা কেজি দরে। রাজধানীর কারওয়ান বাজার মুদি দোকানদার আকবর আলী বলেন, ‘সরবরাহ ভালো থাকলেও পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। তবে, আলুর দাম আরও বাড়াতে পারে।’
রামপুরা বাজারে পণ্য কিনতে আসা ক্রেতা মো. রানা বলেন, ‘আলুর দাম বাড়তির দিকে। এছাড়া, সবজি ও মাছের দাম আগের মতোই আছে। তবে মাংসের দাম বেড়েছে।’

সাধারণ ভোক্তারা বলছেন, নিত্যপণ্যের বাজার এখন অনেকটাই অস্থির। মূল্যস্ফীতিও বেশি। করোনার পর বিশ্বের অন্যান্য দেশ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নানা কার্যকর পদক্ষেপ নিলেও বাংলাদেশ ছিল অনেক পিছিয়ে। ফলে করোনার সময় যে মূল্যস্ফীতি বেড়েছিল, তার আঁচ এখনো রয়ে গেছে। এ পটভূমিতে রোজা কিংবা ঈদের আগে তড়িঘড়ি করে নেওয়া এসব পদক্ষেপ খুব একটা কাজে আসে না। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নিতে হবে যথাসময়ে। বদলাতে হবে বাজার ব্যবস্থাপনা, বাড়াতে হবে প্রতিযোগীর সংখ্যা। বাড়তি দামে বিক্রি হতে থাকা মাছ, মাংস, ব্রয়লার মুরগির ধারেকাছেও যেতে পারছেন না নিম্নআয়ের মানুষ। গরুর মাংসের কেজি আবার ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকায় উঠেছে। এতে করে ভোক্তার পাত থেকে উঠে যেতে শুরু করেছে মজাদার গরুর মাংস। কেজিতে উচ্চ দরে তরমুজ বিক্রির প্রতিবাদ করায় গত কয়েক দিন ধরে তরমুজ কেনা থেকে বিরত থাকছেন অনেকেই। যার একটা প্রভাব পড়েছে তরমুজের বাজারে। কিছুটা দামও কমেছে। তবে অন্যান্য ফলে যেমন- আপেল, কমলা, আঙ্গুর, সফেদা, বেদানা, পেয়ারা, পেঁপের দাম এখনো আকাশচুম্বী। চাল ও ডালের বাজার তো আরও আগে থেকেই ঊর্ধ্বমুখিতা বজায় রেখেছে। এ জন্য টিসিবির মাধ্যমে ভর্তুকি মূল্যে চাল, ডাল, তেল, ছোলা, পিঁয়াজ সরবরাহ করেও বাজারে কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি সরকার। তবে সাশ্রয়ী মূল্যে এসব পণ্য সরবরাহ করায় কিছু মানুষের উপকার হয়েছে; যা অস্বীকার করা যায় না। তবে এটা খুবই অপ্রতুল।

মাছ-মাংসসহ ২৯ পণ্যের দাম নির্ধারণ করে দিল সরকার
সরকার নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণের পদক্ষেপ নেয় সরকার। এ লক্ষ্যে ২৯টি পণ্যের মূল্য বেঁধে দিয়েছে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর। গত ১৫ মার্চ কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মাসুদ করিম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কৃষি বিপণন আইন ২০১৮-এর ৪(ঝ) ধারার ক্ষমতাবলে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণ করেছে।

পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নির্ধারিত দামে কৃষিপণ্য কেনাবেচার জন্য অনুরোধ করা হলো।
এতে বলা হয়, নতুন নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ী মুগ ডালের পাইকারি বাজার মূল্য হবে ১৫৮ দশমিক ৫৭ টাকা ও খুচরা ১৬৫ দশমিক ৪১ টাকা। এ ছাড়া মাসকলাইয়ের পাইকারি বাজার মূল্য ১৪৫ দশমিক ৩০ টাকা ও খুচরা ১৬৬ দশমিক ৪১, ছোলার (আমদানিকৃত) পাইকারি বাজার মূল্য ৯৩ দশমিক ৫০ টাকা ও খুচরা ৯৮ দশমিক ৩০, মসুরডাল (উন্নত) পাইকারি বাজার মূল্য ১২৫ দশমিক ৩৫ টাকা ও খুচরা ১৩০ দশমিক ৫০, মসুরডাল (মোটা) পাইকারি বাজার মূল্য ১০০ দশমিক ২০ টাকা ও খুচরা ১০৫ দশমিক ৫০, খেসারিডাল পাইকারি বাজার মূল্য ৮৩ দশমিক ৮৩ টাকা ও খুচরা ৯২ দশমিক ৬১।
পাঙাশ (চাষের মাছ) পাইকারি বাজার মূল্য ১৫৩ দশমিক ৩৫ টাকা ও খুচরা ১৮০ দশমিক ৮৭, কাতল (চাষের মাছ) পাইকারি বাজার মূল্য ৩০৩ দশমিক শূন্য ৯ টাকা ও খুচরা ৩৫৩ দশমিক ৫৯।

গরুর মাংস কেজি পাইকারি বাজার মূল্য ৬৩১ দশমিক ৬৯ টাকা ও খুচরা ৬৬৪ দশমিক ৩৯, ছাগলের মাংস পাইকারি বাজার মূল্য ৯৫২ দশমিক ৫৮ টাকা ও খুচরা ১০০৩ দশমিক ৫৬, বয়লার মুরগি পাইকারি বাজার মূল্য ১৬২ দশমিক ৬৯ টাকা ও খুচরা ১৭৫ দশমিক ৩০, সোনালি মুরগি পাইকারি বাজার মূল্য ২৫৬ দশমিক ১০ টাকা ও খুচরা ২৬২। ডিম (পিস) পাইকারি বাজার মূল্য ৯ দশমিক ৬১ টাকা ও খুচরা ১০ দশমিক ৪৯। দেশি পেঁয়াজ কেজি পাইকারি বাজার মূল্য ৫৩ দশমিক ২০ টাকা ও খুচরা ৬৫ দশমিক ৪০, দেশি রসুন কেজি পাইকারি বাজার মূল্য ৯৪ দশমিক ৬১ টাকা ও খুচরা ১২০ দশমিক ৮১, আদা আমদানিকৃত পাইকারি বাজার মূল্য ১২০ দশমিক ২৫ টাকা ও খুচরা ১৮০ দশমিক ২০, শুকনো মরিচ কেজি পাইকারি বাজার মূল্য ২৫৩ দশমিক ২৬ টাকা ও খুচরা ৩২৭ দশমিক ৩৪, কাঁচামরিচ কেজি পাইকারি বাজার মূল্য ৪৫ দশমিক ৪০ টাকা ও খুচরা ৬০ দশমিক ২০।
এ ছাড়া বাঁধাকপি কেজি পাইকারি বাজার মূল্য ২৩ দশমিক ৪৫ টাকা ও খুচরা ২৮ দশমিক ৩০, ফুলকপি কেজি পাইকারি বাজার মূল্য ২৪ দশমিক ৫০ টাকা ও খুচরা ২৯ দশমিক ৬০, বেগুন কেজি পাইকারি বাজার মূল্য ৩৮ দশমিক ২৫ টাকা ও খুচরা ৪৯ দশমিক ৭৫, সিম কেজি পাইকারি বাজার মূল্য ৪০ দশমিক ৮২ টাকা ও খুচরা ৪৮, আলু কেজি পাইকারি বাজার মূল্য ২৩ দশমিক ৩০ টাকা ও খুচরা ২৮ দশমিক ৫৫, টমোটো কেজি পাইকারি বাজার মূল্য ৩০ দশমিক ২০ টাকা ও খুচরা ৪০ দশমিক ২০, মিষ্টি কুমড়া কেজি পাইকারি বাজার মূল্য ১৬ দশমিক ৪৫ টাকা ও খুচরা ২৩ দশমিক ৩৮, খেঁজুর জাহিদি পাইকারি বাজার মূল্য ১৫৫ দশমিক ৫৩ টাকা ও খুচরা ১৮৫ দশমিক ০৭, মোটা চিড়া পাইকারি বাজার মূল্য ৫২ দশমিক ৭৫ টাকা ও খুচরা ৬০, সাগর কলা হালি পাইকারি বাজার মূল্য ২২ দশমিক ৬০ টাকা ও খুচরা ২৯ দশমিক ৭৮ ও বেসন পাইকারি বাজার মূল্য ৯৯ দশমিক ০২ টাকা ও খুচরা ১২১ দশমিক ৩০ টাকা।





Loading...
Loading...


জাতীয় এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy