হিজরি সন গণনা মুসলিমদের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?

বুলেটিন ডেস্ক

ধর্ম

রাসূল (সা.) ও তার সঙ্গী-সাথীদের মক্কা থেকে মদিনায় হিজরতের ঐতিহাসিক ঘটনাকে স্মরণীয় করে রাখার জন্যই আরবি মহররম মাসকে

2024-07-08T19:07:02+00:00
2024-07-08T19:27:42+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
হিজরি সন গণনা মুসলিমদের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?
বুলেটিন ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ৮ জুলাই, ২০২৪, ৭:০৭ পিএম  আপডেট: ০৮.০৭.২০২৪ ৭:২৭ পিএম  (ভিজিট : ৩৫৪)
X

রাসূল (সা.) ও তার সঙ্গী-সাথীদের মক্কা থেকে মদিনায় হিজরতের ঐতিহাসিক ঘটনাকে স্মরণীয় করে রাখার জন্যই আরবি মহররম মাসকে হিজরি সনের প্রথম মাস ধরে সাল গণনা শুরু হয়েছিল। চন্দ্র ও সূর্য উভয়টির মাধ্যমে সন-তারিখ নির্দিষ্ট করা যায়। 

চাঁদের গতি-প্রকৃতি হিসাবে যে সন গণনা করা হয়, সেটাকে বলা হয় চান্দ্রসন, আর সূর্যের গতি-প্রকৃতি হিসাবে যে সন গণনা করা হয়, তাকে বলা হয় সৌরসন। 

বাংলাদেশে ইংরেজি, বাংলা ও হিজরি এই তিনটি সালের প্রচলন রয়েছে। আমরা যে বাংলা এবং ইংরেজি সাল গণনা করি- এটা সৌর সন। হিজরি সন হচ্ছে চন্দ্রসন। নানা পরিবর্তন, পরিমার্জন, পরিবর্ধন, বিবর্তন এবং যোগ-বিয়োজনের মধ্য দিয়ে বর্ষ গণনায় বর্তমান কাঠামো লাভ করে। 

আল্লাহতায়ালা পৃথিবীতে সব কিছু সুনির্ধারিত করেছেন সহজ ও সুষ্ঠ হওয়ার জন্য। তারই ধারাবাহিকতায় মহান আল্লাহ আরবি ১২ মাসের নামসমূহ নির্ধারণ করে দিয়েছেন। এ সম্পর্কে পবিত্র কোরআনের সূরা তওবার ৩৬ নম্বর আয়াতে ইরশাদ হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই পৃথিবী ও আকাশ সৃষ্টির দিন থেকেই আল্লাহর নিকট মাসসমূহের সংখ্যা ১২টি। তার মধ্যে চারটি মাস সম্মানিত। এটাই সুপ্রতিষ্ঠিত বিধান!

পবিত্র কোরআ্নে বলা হয়েছে, ‘লোকেরা আপনাকে নবচন্দ্র সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে, আপনি বলুন, তা হলো মানুষের এবং হজের জন্য সময় নির্ধারণকারী।’ -সূরা বাকারা : ১৮৯। আয়াত থেকে স্পষ্টভাবে বুঝা যায়, আল্লাহতায়ালা বান্দাদের হিসাব-নিকাশের সুবিধার্থে পঞ্জিকাস্বরূপ চন্দ্রকে সৃষ্টি করেছেন। এ জন্য, চন্দ্র মাস তথা হিজরি সনের গুরুত্ব অপরিসীম।

গুরুত্বপূর্ণ হলেও মুসলিম হিসেবে হিজরি নববর্ষ উদযাপন কিংবা মুসলিমদের গৌরবের দিনটি পালনের ঐতিহ্য আমাদের সংস্কৃতিতে ব্যাপকতা লাভ করেনি। অনেক মানুষই জানেন না, মুসলিমদের নববর্ষ কোন মাসে হয়? কেউ হয়ত হিজরিবর্ষ গণনার সঠিক ইতিহাস জানেন না, হিজরি সনের তারিখের খবর রাখেন না; এর প্রতি আকর্ষণ অনুভব করেন না।

রোজা, হজ, কোরবানি, শবেকদর, শবেবরাত, আশুরা ও জাকাতের হিসাব ইত্যাদি ইবাদত হিজরি সনের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। হিজরি সন ব্যবহারের মাধ্যমে সঠিক সময়ে ইবাদত-বন্দেগি পালন করে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন লাভ করা সম্ভব হয়। এ জন্য হিজরি সন গণনাকে ফরজে কেফায়া হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।

পৃথিবীর ইতিহাসে মুসলমানদের উন্নতি, অগ্রগতি, বিজয় ও সাফল্যের প্রতীক ও শ্রেষ্ঠ তৌহিদী বিপ্লব ছিল হিজরত। যেহেতু হজরত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রিয় জন্মভূমি ত্যাগ করা ছিল ইসলামের ইতিহাসে একটি মহান ঘটনা। সে কারণেই হিজরতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে হিজরি সন গণনা শুরু হয়।






Loading...
Loading...


ধর্ম এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy