প্রকাশ: বুধবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৫, ৭:৩৪ পিএম (ভিজিট : ১৫০)

X
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকারের ভেতরে এখনও এমন একটি মহল সক্রিয় আছে যারা গণতন্ত্রকামী শক্তির বিরুদ্ধে কাজ করছে। তারা চায় না গণতন্ত্রের শক্তি ক্ষমতায় আসুক।
আজ বুধবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবে ভাসানী অনুসারী পরিষদ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমরা অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে সব ধরনের সহযোগিতা করেছি। কোথাও কোনও বাধা সৃষ্টি করিনি। এমনকি বড় কোনও দাবি তুলেও সরকারকে বিপদে ফেলিনি। কিন্তু এখন কিছু রাজনৈতিক মহল পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন ব্যাহত করতে নিত্যনতুন দাবি তুলছে। যেসব দাবি সাধারণ মানুষের কাছে একেবারেই অপরিচিত।
তিনি বলেন, সংখ্যানুপাতিক ভোট প্রতিনিধিত্ব (পিআর), এটা বোঝানোই কঠিন। মানুষ কাকে ভোট দিলো, সেটি প্রতিফলিত হলো না সংসদে। এতে বিভ্রান্তি তৈরি হয়।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমি পাঁচ তারিখের পরই বলেছিলাম, তিন মাসের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন দিতে হবে। তখন নতুন সরকার জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে সংস্কারের কাজ শুরু করতে পারতো। কিন্তু সময়ক্ষেপণের ফলে গণতান্ত্রিক শক্তির বদলে অন্যরা সুবিধা নিচ্ছে।
মির্জা ফখরুল বলেন, ইদানীং একটা বিষয় দেখে খারাপ লাগে, আজকালকার বেশির ভাগ মানুষ নষ্ট হয়ে গেছে। যেদিকে তাকাই সব প্রতিষ্ঠানেই খালি দুর্নীতি। সেদিন এক ব্যবসায়ী বলছিলেন, আগে যদি ১ লাখ টাকা দেওয়া লাগতো, এখন দেওয়া লাগে ৫ লাখ। আমাদের মননে যে পরিবর্তনটা আনার দরকার ছিল, সেটি হয়নি। রাজনৈতিক নেতারাও এসবের মধ্যে জড়িয়ে পড়ছেন। যেটা দেশের আরও বেশি ক্ষতি করছে। বাংলাদেশকে বাঁচানোর জন্য আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসা দরকার।
বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, একাত্তরকে ভুলিয়ে দেওয়ার অনেক প্রচেষ্টা চলছে, কিন্তু তা সম্ভব নয়। কারণ আমরা আমাদের চোখের সামনে ভাইদের গলা কাটতে দেখেছি। যারা সেদিন সহযোগিতা করেছে, তারাই আজ বড় বড় কথা বলছে। আমাদের এখন অনেক বেশি সজাগ থাকতে হবে।