প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:০৮ পিএম (ভিজিট : ৯৫)

X
নিরাপত্তাজনিত হুমকির কথা উল্লেখ করে যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফেরার আগে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জন্য স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) নিরাপত্তা চেয়ে আনুষ্ঠানিক আবেদন করেছে দলটি। তবে এ বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকার এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি।
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আবেদন পাওয়ার পর এ নিয়ে অন্তত তিনটি বৈঠক করেছে সরকার। বৈঠকগুলোতে মিশ্র মত পাওয়া গেছে। কেউ কেউ নিরাপত্তা দেওয়ার পক্ষে থাকলেও অন্যদের যুক্তি—তারেক রহমান বর্তমানে কোনো রাষ্ট্রীয় পদে নেই এবং প্রধানমন্ত্রী বা দলীয় চেয়ারপারসনও নন।
বৈঠকগুলোতে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। কর্মকর্তারা জানান, খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসভবনে অবস্থান করলে তারেক রহমানের জন্য এসএসএফ নিরাপত্তা বিবেচনা করা যেতে পারে, কারণ ওই বাসভবন ইতোমধ্যে এসএসএফের আওতায় রয়েছে।
বিএনপি নেতারা বলছেন, দলীয় নিরাপত্তা বাহিনী বড় ধরনের বা উচ্চঝুঁকির হুমকি মোকাবিলায় সক্ষম নয়। তাদের মতে, জনসমাগমপূর্ণ কর্মসূচিতে তারেক রহমানের পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তার জন্য এসএসএফই সবচেয়ে উপযুক্ত।
এদিকে তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ঢাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা প্রস্তুতি নিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পুলিশ ও অন্যান্য সংস্থার প্রায় দুই হাজার সদস্য মোতায়েন করা হতে পারে। বিমানবন্দর থেকে গুলশান পর্যন্ত রুট ও বাসভবন এলাকায় বাড়ানো হচ্ছে নজরদারি। ইতোমধ্যে গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় একাধিক চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।
অন্যদিকে নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকির আশঙ্কায় তারেক রহমানের ফেরার নির্ধারিত বিমানের ফ্লাইটে দুই কেবিন ক্রুকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ২৪ ডিসেম্বর লন্ডন থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিয়ে তিনি ২৫ ডিসেম্বর দেশে পৌঁছাবেন।
বিএনপি জানিয়েছে, দেশে ফেরার পর ২৭ ডিসেম্বর তারেক রহমান ভোটার হিসেবে নিবন্ধন করবেন।