প্রকাশ: বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১:৩০ এএম (ভিজিট : ৮৫)

X
দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এ উপলক্ষে জাঁকজমকপূর্ণ সংবর্ধনার প্রস্তুতি নিয়েছে দলটি।
আগামীকাল বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশ বিমানের একটি নিয়মিত বাণিজ্যিক ফ্লাইটে সিলেট হয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন তারেক রহমান। বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানাবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। সেখান থেকে বনানী ও কাকলী হয়ে তিনি সরাসরি পূর্বাচল ৩০০ ফিট এলাকায় সংবর্ধনা স্থলে যাবেন।
তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনকে স্মরণীয় করে তুলতে সারাদেশের তৃণমূল নেতাকর্মীরা ঢাকামুখী হচ্ছেন। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীরা নিজ উদ্যোগে বাস, ট্রাক, মাইক্রোবাস ও ট্রেনযোগে রাজধানীতে আসছেন। বিএনপির আবেদনের প্রেক্ষিতে ১০টি রুটে বিশেষ ট্রেন চালুর পাশাপাশি কয়েকটি নিয়মিত ট্রেনে অতিরিক্ত কোচ সংযোজন করা হয়েছে।
রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় বিশাল সংবর্ধনা মঞ্চ নির্মাণ করা হচ্ছে। মঞ্চটি ৪৮ ফুট দীর্ঘ, ৩৬ ফুট প্রশস্ত এবং সড়ক থেকে ৮ ফুট উঁচু হবে। বিমানবন্দর থেকে শুরু করে ৩০০ ফিট এলাকা পর্যন্ত প্রায় ৯০০টি মাইক স্থাপন করা হবে। পুরো এলাকা সিসিটিভির আওতায় থাকবে।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদলসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে শৃঙ্খলা কমিটি ও স্বেচ্ছাসেবক টিম গঠন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা দিতে ৩০টি মোবাইল মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও সংবর্ধনা কমিটির সদস্য সচিব রুহুল কবির রিজভী আশা প্রকাশ করে বলেন, সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রায় ৫০ লাখ মানুষের সমাগম হতে পারে। তিনি বলেন, “সারাদেশ থেকে নেতাকর্মীদের ঢাকায় আসা শুরু হয়েছে। অনুষ্ঠানটি জনসমাবেশ ও উৎসবে পরিণত হবে।”
অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য দেবেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অথবা স্বদেশ প্রত্যাবর্তন কমিটির আহ্বায়ক সালাহউদ্দিন আহমদ। দলীয় নেতাকর্মীদের বক্তব্যের সুযোগ থাকছে না।
সংবর্ধনা শেষে তারেক রহমান এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে যাবেন। পরে তিনি গুলশানে মায়ের বাসভবনে যাবেন।
এদিকে নিরাপত্তার স্বার্থে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ ২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে ২৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বিমানবন্দরে দর্শনার্থী প্রবেশ ও ড্রোন উড্ডয়ন নিষিদ্ধ করেছে।