প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৫:৪০ পিএম (ভিজিট : ৮৬)

X
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছেন নেতাকর্মীরা।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেল সোয়া ৪টার দিকে তারেক রহমান বক্তব্য শেষ করার পরই অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করা শুরু করেন তারা।
এর আগে বাস থেকে নেমে বিকেল ৪টার দিকে মঞ্চে ওঠেন তারেক রহমান। তিনি সংবর্ধনাস্থলে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে পূর্বাচলের ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে (৩০০ ফিট) এলাকা স্লোগানে উত্তাল হয়ে ওঠে। বক্তব্যের দেয়ার তারেক রহমান আবার গাড়ি উঠে চিকিৎসাধীন মা ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে কাছে এভারকেয়ার হাসপাতালে উদ্দেশে রওনা দেন।
তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে রাজধানীর পূর্বাচলের ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে (৩০০ ফিট) এলাকায় গণসংবর্ধনার আয়োজন করেছে বিএনপি। কুড়িল মোড়সংলগ্ন সড়কের উত্তর পাশে দক্ষিণমুখী করে বাঁশ ও কাঠ দিয়ে তৈরি করা হয় ৪৮ ফুট বাই ৩৬ ফুটের বিশাল মঞ্চ।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে দুদনি আগে থেকে রাজধানীর পূর্বাচলের ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়েতে (৩০০ ফুট) জড়ো হতে থাকেন দলের কর্মী সমর্থকরা। আজ ভোর থেকে লোকে লোকে লোকারণ্য হয়ে ওঠে সংবর্ধনাস্থল।
তারেক রহমানকে একনজর দেখতে সড়কের দুপাশে অবস্থান নেন নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। পথে পথে তাদের ভালোবাসায় সাড়া দিয়ে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। ফলে কয়েক মিনিটের পথ হলেও সংবর্ধনাস্থলে পৌঁছাতে সময় লেগেছে প্রায় সাড়ে ৩ ঘণ্টা।
২০০৭ সালের জানুয়ারিতে সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসার পর দুর্নীতির অভিযোগের মামলায় আটক হয়ে প্রায় ১৮ মাস কারাবন্দী ছিলেন তারেক রহমান। মুক্তি পাওয়ার পর ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর চিকিৎসার জন্য সপরিবারে লন্ডনে চলে যান তারেক রহমান। সে বছরের ডিসেম্বরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে দেশে আসার পথ অনেকটা বন্ধ হয়ে যায় তার। একের পর এক মামলায় জর্জরিত তারেক রহমানের দেশে ফেরা হয়নি আর। অবশেষে দীর্ঘ সেই অপেক্ষার অবসান ঘটল। প্রিয় মাতৃভূমিতে ফিরলেন তারেক রহমান।