ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জন্য ৫০টি আসন ফাঁকা রেখে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ‘১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের’ আসন ভাগাভাগি হয়েছে।
ঘোষণা অনুযায়ী— বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১৭৯, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০, খেলাফত মজলিস ১০, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি(এলডিপি) ৭, আমার বাংলাদেশ পার্টি(এবি পার্টি) ৩, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি ২ ও বাংলাদেশ ডেভলপমেন্ট পার্টি ২।
আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার পর রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ব্যতীত জোটের বাকি ১০ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে বক্তব্য দেন খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। এরপর বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
আসন বণ্টনের ঘোষণা দিয়ে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেন, ‘আমরা আপাতত ২৫০টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করছি। এর মধ্যে জামায়াতে ইসলামী ১৭৯, এনসিপি ৩০, খেলাফত মজলিস ২০, খেলাফতে মজলিস ১০, এলডিপি ৭, এবি পার্টি ২ এবং নেজামে ইসলাম ৩টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। বাকি শরিকদের সঙ্গেও ঐকমত্যের ভিত্তিতে আসন বণ্টন সম্পন্ন হবে বলে আমরা আশা করি।’
সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলনের অনুপস্থিত থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘তারা নিজেদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ বোঝাপড়া করছে। জোটে ভাঙনের কোনো অবকাশ নেই। আশা করি দ্রুতই তারা আমাদের সঙ্গে যুক্ত হবে।’