প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৫৩ এএম (ভিজিট : ৬৬)

X
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
আগামী ১২ ফ্রেব্রুয়ারিতে দুটি ভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। একটি হলো গণভোট, আরেকটি সাধারণ নির্বাচন। এই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ মানে আজাদী, আর ‘না’ মানে গোলামি। এ দেশের মানুষ আজাদী চায়। আধিপত্যবাদের কাছে বাংলাদেশের যুবসমাজ কখনোই মাথা নত করবে না বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাতে মাগুরা জেলা জামায়াত আয়োজিত মাগুরা আদর্শ ডিগ্রি কলেজ মাঠে নির্বাচনি সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
জামায়াত আমির বলেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন জাতির জন্য টার্নিং পয়েন্ট।
তিনি বলেন, গত সাড়ে ১৫ বছর ধরে একটি ফ্যাসিস্ট সরকার এই জাতিকে ধীরে ধীরে নিঃশেষ করে দিয়েছে। অর্থনীতিও ধ্বংসপ্রায়। বিচার বিভাগ কার্যত ভেঙে পড়েছে। ব্যাংক, বীমা, করপোরেট সেক্টর ও শিল্পখাত সবকিছুই পরিকল্পিতভাবে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। ব্যাপক লুটপাটের মাধ্যমে দেশের অর্থ বিদেশে পাচার করা হয়েছে, যার ফলে রাষ্ট্র ও জনগণ আজ চরম ক্ষতির মুখে।
নারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আল্লাহ যদি জনগণের ভোটের মাধ্যমে তাদের সেবা করার সুযোগ দেন, তাহলে ইনশা আল্লাহ সেই আমানতের ঋণ পরিশোধে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। নারীদের চলাফেরা, কর্মস্থলে মর্যাদা এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। কোনো জালিমকে আড়চোখে তাকানোর সুযোগ দেওয়া হবে না এবং নারীদের ইজ্জত ও সম্মানের ওপর হাত দেওয়ার দুঃসাহস যেন কেউ না করতে পারে সে জন্য কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
যুবসমাজের উদ্দেশে জামায়াত আমির বলেন, আমরা তোমাদের হাতে বেকার ভাতা তুলে দিতে চাই না। আমরা চাই তোমাদের হাতকে দেশ গড়ার কারিগরের হাত হিসেবে গড়ে তুলতে। সম্মানের কাজ সৃষ্টি করে সেই কাজ তোমাদের হাতে তুলে দিতে চাই। তোমরা যেন আত্মগর্বের সঙ্গে বলতে পারো, আমরা এই দেশের গর্বিত নাগরিক।