যে চার কারণে ভোটযুদ্ধে নেই অনেক হেভিওয়েট নেতা

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজনীতি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের মাঠে প্রচারণা জমে উঠলেও ছোট-বড় বেশ কয়েকটি দলের হেভিওয়েট নেতা এবার প্রার্থী হননি। তবে সবার ভোটযুদ্ধে না থাকার কারণ এক নয়।

2026-01-28T11:59:10+00:00
2026-01-28T12:20:09+00:00
সোমবার ১০ আগস্ট ২০২৬ ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার ১০ আগস্ট ২০২৬
   
যে চার কারণে ভোটযুদ্ধে নেই অনেক হেভিওয়েট নেতা
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বুধবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:৫৯ এএম  আপডেট: ২৮.০১.২০২৬ ১২:২০ পিএম  (ভিজিট : ১৩০)
X

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের মাঠে প্রচারণা জমে উঠলেও ছোট-বড় বেশ কয়েকটি দলের হেভিওয়েট নেতা এবার প্রার্থী হননি। তবে সবার ভোটযুদ্ধে না থাকার কারণ এক নয়। মূলত চারটি কারণে এসব প্রার্থী নির্বাচন থেকে দূরে আছেন। 

কারণগুলো হলো- প্রথমত, বার্ধক্যজনিত কারণে অনেকে নির্বাচন করার ঝুঁকি নেননি। তাদের বদলে উত্তরাধিকার হিসাবে প্রার্থী হয়েছেন স্ত্রী বা সন্তান। দ্বিতীয়ত, অনেকে রাজনৈতিক বাস্তবতায় কোণঠাসা অবস্থায় থাকার কারণে নির্বাচন থেকে দূরে আছেন। তৃতীয়ত, কেউ কেউ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি কারাগারে বা আত্মগোপনে থাকার কারণে। চতুর্থত, দু-একজনের অভিযোগ, দেশে নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই। সব মিলিয়ে বেশ কয়েকটি দলের শীর্ষ নেতা এবার ভোটে অংশ নেননি।

বার্ধক্যজনিত কারণে নির্বাচনে নেই গণফোরামের নেতা ড. কামাল হোসেন, বিএনপির ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার ও ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, জেএসডি সভাপতি আসম আবদুর রব, জাতীয় পার্টির রওশন এরশাদ এবং জামায়াতের নায়েবে আমির আ ন ম শামসুল ইসলাম। তাদের মধ্যে অনেকের আসনে স্ত্রী বা সন্তান প্রার্থী হয়েছেন।

গণ-অভ্যুত্থানের পর একাধিক মামলায় কারাগারে থাকায় নির্বাচনে নেই ওয়ার্কার্স পার্টির রাশেদ খান মেনন ও জাসদের হাসানুল হক ইনু। আত্মগোপনে থাকায় ভোটে নেই সাম্যবাদী দলের দিলীপ বড়ুয়া।

বিএনপির নীতিনির্ধারণী ফোরামের সদস্য নজরুল ইসলাম খান ও সেলিমা রহমান প্রার্থী না হলেও নির্বাচন পরিচালনায় যুক্ত রয়েছেন।

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই’ অভিযোগে নির্বাচন বর্জন করেছেন। জাতীয় পার্টি (জেপি) চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু ও জাফর পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার বার্ধক্য ও অসুস্থতার কারণে ভোটে নেই।

গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পতন হয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের। দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেন দলটির সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চলমান বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী, সমমনা এবং সহযোগী সংগঠনের সব কার্যক্রমকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিষিদ্ধ করে সরকার। নির্বাচন কমিশন দলটির নিবন্ধন স্থগিত করে। ফলে দলটির কেউই নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের শরিকরাও নেই এবারের নির্বাচনে। দলগুলোর শীর্ষ একাধিক নেতা বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। বাকিরা রয়েছেন আত্মগোপনে।






  বিষয়:   ভোটযুদ্ধ  হেভিওয়েট নেতা  নির্বাচন  গণ-অভ্যুত্থান  সরকার পতন  আ.লীগ 



Loading...
Loading...


রাজনীতি এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy