মার্সিডিজের নতুন ইভি এক চার্জে চলবে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার

বুলেটিন ডেস্ক

লাইফস্টাইল

সম্প্রতিমার্সিডিজ-বেঞ্জতাদের নতুন ইলেকট্রিক সেডান মার্সিডিজ-বেঞ্জ সিএলএ ইলেকট্রনিক বাজারে এনেছে। নতুন এই গাড়িটি মূলত দীর্ঘ রেঞ্জ এবং আধুনিক প্রযুক্তির

2026-03-15T11:18:00+00:00
2026-03-15T11:18:00+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
মার্সিডিজের নতুন ইভি এক চার্জে চলবে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার
বুলেটিন ডেস্ক
প্রকাশ: রোববার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১১:১৮ এএম   (ভিজিট : ৮৬)
ফাইল ছবি
X

ফাইল ছবি

সম্প্রতি মার্সিডিজ-বেঞ্জ তাদের নতুন ইলেকট্রিক সেডান মার্সিডিজ-বেঞ্জ সিএলএ ইলেকট্রনিক বাজারে এনেছে। নতুন এই গাড়িটি মূলত দীর্ঘ রেঞ্জ এবং আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে তৈরি। জার্মান বিলাসবহুল গাড়ি নির্মাতা মার্সিডিজ-বেঞ্জের বিশেষ করে সিএলএ ২৫০+ ভ্যারিয়েন্টটি একবার সম্পূর্ণ চার্জে প্রায় ৭৯২ কিলোমিটার পর্যন্ত চলতে পারে বলে দাবি করা হচ্ছে।

এই বিশাল রেঞ্জের পেছনে রয়েছে গাড়িটির উন্নত এরোডাইনামিক ডিজাইন এবং শক্তিশালী ৮৫ কিলোওয়াট আওয়ারের এনএমসি ব্যাটারি প্যাক। সাধারণত ইলেকট্রিক গাড়িতে একটি গিয়ারবক্স থাকে, কিন্তু এই নতুন সিএলএ মডেলে দেওয়া হয়েছে দুটি গিয়ারবক্স। এর ফলে গাড়িটি বাস্তব রাস্তায়ও প্রায় ৬২০ কিলোমিটারের বেশি রেঞ্জ দিতে সক্ষম হয়েছে।

দীর্ঘ যাত্রায় চার্জ নিয়ে উদ্বেগ তুলনামূলকভাবে অনেকটাই কমে যায়। ফলে দীর্ঘ যাত্রায় চার্জ নিয়ে উদ্বেগ তুলনামূলকভাবে অনেকটাই কমে যায়। গাড়িটিতে একটি শক্তিশালী ইলেকট্রিক মোটর রয়েছে যা প্রায় ২৭২ হর্সপাওয়ার শক্তি উৎপাদন করতে পারে। এর পারফরম্যান্স খুবই মসৃণ এবং গতি বাড়ার অনুভূতিও বেশ স্বাভাবিক।

তবে দ্রুত গতিতে ত্বরান্বিত হওয়ার ক্ষেত্রে এই গাড়িটি বিওয়াইডি সেল-এর মতো ততটা দ্রুত নয়। যদিও রেঞ্জের দিক থেকে সিএলএ অনেকটাই এগিয়ে। আগের প্রজন্মের সিএলএ মডেলের তুলনায় নতুন এই সংস্করণে আরাম ও বিলাসিতার মাত্রাও বাড়ানো হয়েছে।

সাধারণ রাস্তায় চলার সময় গাড়িটি বেশ স্থিতিশীল, তবে বড় স্পিড ব্রেকার বা বাম্পারের উপর দিয়ে গেলে ঝাঁকুনি কিছুটা অনুভূত হয়। যদিও গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স আগের তুলনায় বাড়ানো হয়েছে, ফলে সাধারণ রাস্তায় চলাচলে তেমন কোনো সমস্যা হয় না।

গাড়িটির অভ্যন্তরীণ ডিজাইনও যথেষ্ট আকর্ষণীয়। সামনে রয়েছে মার্সিডিজের পরিচিত ট্রেডমার্ক গ্রিল, যা গাড়িটিকে একটি আলাদা প্রিমিয়াম লুক দিয়েছে। কেবিনের ভেতরে রয়েছে প্রায় ১৪ ইঞ্চির বড় ডিসপ্লে, যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সমর্থিত বিভিন্ন স্মার্ট ফিচার ব্যবহার করা যায়। এছাড়াও এই গাড়িতে রয়েছে ৮০০ ভোল্টের আধুনিক আর্কিটেকচার, ভয়েস কমান্ড সাপোর্ট, প্রিমিয়াম বুরমেস্টার অডিও সিস্টেম, ম্যাসেজ সিট এবং অগমেন্টেড রিয়েলিটি নেভিগেশন সুবিধা।

সামনের সিটগুলো বেশ প্রশস্ত ও আরামদায়ক হলেও পেছনের সিটে জায়গা তুলনামূলকভাবে কিছুটা কম মনে হতে পারে। বিশেষ করে লেগস্পেস আরও একটু বেশি হলে যাত্রীদের জন্য আরামদায়ক হতো। ব্যবহারিক দিক বিবেচনায় গাড়িটিতে একটি ফ্রাঙ্ক (সামনের স্টোরেজ স্পেস) রয়েছে এবং পেছনে প্রায় ৪০৫ লিটারের বুট স্পেসও দেওয়া হয়েছে, যা দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য যথেষ্ট।

নতুন ইলেকট্রিক সিএলএ বিলাসিতা, প্রযুক্তি এবং দীর্ঘ রেঞ্জ এই তিনটির একটি শক্তিশালী সমন্বয়। যদিও এটি বাজারের সবচেয়ে দ্রুতগামী ইলেকট্রিক সেডান নয় এবং পেছনের সিটের জায়গা আরও একটু বেশি হতে পারত, তবুও এর ফিচার, পারফরম্যান্স ও রেঞ্জ বিবেচনায় গাড়িটি নিজের দামের যথেষ্ট মূল্য দেয়। সেডান হিসেবে এটি মার্সিডিজের আগের মার্সিডিজ-বেঞ্জ এ-ক্লাস বা মার্সিডিজ-বেঞ্জ সি-ক্লাস মডেলের তুলনায় অনেক দিক থেকেই এগিয়ে গেছে।





Loading...
Loading...


লাইফস্টাইল এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy