প্রকাশ: রোববার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ৮:০২ পিএম (ভিজিট : ১৮)

X
রিবাট কোহলির ক্রিকেটার পরিচয় টিকে আছ কেবল সাদা বলের ক্রিকেটে।
টেস্ট ক্রিকেটের সঙ্গে বিরাট কোহলি সম্পর্ক চুকেবুকে গেছে বেশ আগেই। এই ৩৭ পেরিয়ে যাওয়া বয়সে সেই সম্পর্ক জোড়া লাগার সম্ভাবনাও আর নেই। তবে সেই অসম্ভবকেই সম্ভব দেখতে চান আম্বাতি রায়ডু। ভারতের সাবেক ব্যাটসম্যানের মতে, কোহলির উচিত টেস্ট ক্রিকেটে ফিরে আসা এবং সেটি অধিনায়ক হিসেবে।
রায়ডুর মনে আক্ষেপের ঝড় ও এই চাওয়া মূলত আইপিএলের কোহলিকে দেখে। গত বছরের জানুয়ারিতে সাদা পোশাকে শেষবার মাঠে নেমেছিলেন কোহলি। এরপর গত আইপিএলে তিনি রানের জোয়ার বইয়ে দিয়েছেন। ভারতের হয়ে ওয়ানডেতে গত কয়েক মাসে অসাধারণ পারফর্ম করেছেন। এবারের আইপিএলের শুরুটাও করলেন দুর্দান্ত। বেঙ্গালুরুতে শনিবার সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর জয়ে উপহার দিলেন ৩৮ বলে ৬৯ রানের অপরাজিত ইনিংস।
ফিটনেস তার বরাবরই দুর্দান্ত। ব্যাটের ধার কমার কোনো আভাসও নেই। ইএসপিএনক্রিকইনফোর ‘টাইম আউট’ শোতে রায়ডু বললেন, ৪২-৪৩ বছর বয়স পর্যন্ত খেলে যেতে পারবেন কোহলি। “আমার মনে হয়, আইপিএলে তার সেরাটা এখনও আসেনি। আমরা যা দেখেছি, তা কেবলই একটু ঝলক। ফিটনেস নিয়ে তার কখনও কোনো সমস্যা ছিল না। শারীরিক ফিটনেস নিয়েৃ বলের কাছে দেরিতে যাওয়া বা মাঠে গতি কমে যাওয়া ধরনের কোনো সমস্যায় সে কখনও পড়বে বলে মনে হয় না।”
“একমাত্র যে ব্যাপারটি তাকে পিছিয়ে দিতে পারে, তা হলো তার মানসিক অবস্থা। তবে আমার মনে হয় না, সে তার ক্যারিয়ারের শেষের কাছাকাছি চলে এসেছে। আমি এখনও তার মধ্যে আরও পাঁচ-ছয় বছর খেলার মতো সামর্থ্য দেখতে পাই।”
সেই খেলে যাওয়া যে কেবল আইপিএলেই নয়, সেটিও পরিষ্কার করে দিলেন রায়ডু। “আমার মনে হয়, তার উচিত টেস্ট ক্রিকেটে ফেরা এবং সম্ভব হলে অধিনায়ক হিসেবে। ভারতীয় ক্রিকেটে আমি অন্তত যতজনকে লাল বলের অধিনায়ক হিসেবে দেখেছি, তাদের মধ্যে সে-ই সেরা। সে যেভাবে ব্যাটিং করে যাচ্ছে, তাতে আমার মনে হয় (টেস্টে তার না থাকা) ভারতীয় ক্রিকেটের জন্য বড় ক্ষতি।”
রায়ডুর ধারণা, টেস্টে নেতৃত্বের প্রস্তাব দিলে অবসর ভেঙে ফিরতে রাজি হতেও পারেন কোহলি। “তাকে অধিনায়কত্ব দিলে সেটা তার জন্য বড় প্রেরণা হবে। আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ জয় করাটা হবে তার দারুণ চ্যালেঞ্জ। এখনও এত ফিট সেৃ কোনো দুর্ভাবনার কারণ তাকে নিয়ে থাকতে পারে না।”