প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৩২ এএম (ভিজিট : ১০৯)

X
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে নির্বাচিত সাতজন স্বতন্ত্র সদস্যের মধ্যে ছয়জন একটি জোট গঠন করেছেন। তবে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা কোনো জোটে না থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একইভাবে বরগুনা-১ আসন থেকে নির্বাচিত ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সংসদ সদস্য মো. অলি উল্লাহও কোনো জোটে যোগ দিচ্ছেন না।
আইন অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য নির্বাচনে তারা ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন। এদিকে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী সাধারণ নির্বাচনের মতো সংরক্ষিত নারী আসনেও জোটগতভাবে প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের তফসিল নির্ধারণে আগামী ৬ এপ্রিল সভা করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ওই দিনই তফসিল ঘোষণা হতে পারে বলে ইসি সূত্রে জানা গেছে।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ৬ এপ্রিল কমিশন সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেদিনই সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের তফসিল ও সম্ভাব্য ভোটের তারিখ নির্ধারণ হতে পারে। ইতোমধ্যে সংসদ থেকে দলগুলোর আসনভিত্তিক হিসাব কমিশনে পৌঁছেছে। তফসিল ঘোষণার পর রাজনৈতিক দলগুলো প্রার্থী মনোনয়ন দেবে এবং রিটার্নিং কর্মকর্তারা পরবর্তী কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন।
ইসি সূত্র জানায়, সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র সদস্যরা তাদের জোটগত অবস্থান লিখিতভাবে কমিশনকে জানিয়েছে। সাধারণ নির্বাচনে যে জোট ছিল, সংরক্ষিত আসনের ক্ষেত্রেও তা অপরিবর্তিত থাকছে।
আইন অনুযায়ী, সংসদ নির্বাচনের গেজেট প্রকাশের ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে দলগুলোকে জোটগত অবস্থান জানাতে হয়, যার সময়সীমা ৫ এপ্রিল শেষ হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই দলগুলো তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে।
জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত নারী আসন) নির্বাচন আইনে বলা হয়েছে, সাধারণ নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। সে অনুযায়ী আগামী ১৪ মের আগেই এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
সংসদে সাধারণ আসনের আনুপাতিক হারে সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টন করা হয়। ৩০০ আসনের সংসদে প্রতি ছয়জন সাধারণ সংসদ সদস্যের বিপরীতে একটি সংরক্ষিত নারী আসন নির্ধারিত থাকে। তবে বর্তমানে আদালতের আদেশে চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফল স্থগিত থাকায় ২৯৭টি আসনের ভিত্তিতে হিসাব করা হচ্ছে।
ইসি কর্মকর্তারা জানান, সংরক্ষিত আসনের ক্ষেত্রে সাধারণত দল ও জোটগুলো তাদের বরাদ্দ অনুযায়ী একজন করে প্রার্থী মনোনয়ন দেয়। ফলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এসব আসনে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে থাকেন।