ছয় বছর বয়সী জাবির ইব্রাহিম ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট উত্তরায় পুলিশের গুলিতে শহীদ হয়। উত্তরার কেসি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের নার্সারি ছাত্র ছোট্ট জাবির সেইদিন বাবা কবির হোসাইনের সঙ্গে মিছিলে গিয়ে প্রাণ হারায়।
শহীদ জাবিরের মা রোকেয়া বেগম পেশায় গৃহিনী। তাঁর তিন সন্তানের মধ্যে জাবির ছিল সবার ছোট। তাঁর স্বামী কবির হোসাইন বেসরকারি মোবাইল রিটেইলার প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। শহীদ জুলাইদের জীবনী অনুযায়ী, ছোট্ট জাবির শিক্ষার্থীদের মিছিলে অংশ নিতে উদগ্রীব ছিল। রোকেয়া বেগম সেই সময়ে সন্তানদের নিয়ে ৫ আগস্টের লংমার্চে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
শেখ হাসিনার পতনের পর সন্তান নিয়ে বিজয়ে মিছিলে যোগ দেন। তখন পূর্ব থানা থেকে পুলিশ গুলি করলে মায়ের হাত ধরা জাবির গুলিবিদ্ধ হয়। তাঁর উরুতে গুলি লাগে। রক্তাক্ত জাবিরকে কোলে করে কুয়েত-মৈত্রী হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। রক্ত জোগাড় হলেও ক্রস ম্যাচের অভাবে সন্ধ্যায় শহীদ হয়।
জামায়াত জোট ১৩টি নারী আসন পাবে। জামায়াতের এককভাবে ১২টি আসন পাওয়ার কথা ছিল। তবে দলটির জোট শরিক এনসিপি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস এবং জাগপাকে একটি করে আসন ছেড়ে দিয়েছে। এতে এনসিপির নারী আসন বেড়ে হবে দুই। জামায়াত একটি আসনে মনোনয়ন দিয়েছে নারী অধিকার আন্দোলন নামের একটি সংগঠনের নেত্রী প্রকৌশলী মারদিয়া মমতাজকে। তিনি ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। বাকি ৭টি আসন দলের নেত্রীদের মনোনয়ন দিয়েছে জামায়াত।
মঙ্গলবার নারী আসনের প্রার্থীদের মনোনয়ন দাখিলের শেষ দিন। সোমবার সন্ধ্যায় জামায়াত কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে জোটের ১৩ নারী প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ।
মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থীরা হলেন- জামায়াতের মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নূরুন্নিসা সিদ্দীকা, সহকারী সেক্রেটারি মারজিয়া বেগম, আইন বিভাগের সেক্রেটারি সাবিকুন নাহার মুন্নি, প্রচার বিভাগের সেক্রেটারি নাজমুন নাহার নীলু, সাবেক সেক্রেটারি মাহফুজা সিদ্দিকা, কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরার সদস্য সাজেদা সামাদ ও শামছুন্নাহার নাহার।