তিনি শেরপুর জেলার নকলা ও নালিতাবাড়ীর গর্ব, সাবেক তথ্য সচিব ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের সাবেক উপদেষ্টা মরহুম ব্যারিস্টার এম হায়দার আলীর বড় ছেলে ব্যারিস্টার জিসান হায়দারের সহধর্মিণী। ফলে তার পারিবারিক পরিচিতি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিস্তৃত। হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার সংরক্ষিত আসনের জন্য তার এই মনোনয়নকে ঘিরে সংশ্লিষ্ট এলাকায় আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, ঘোষিত তালিকায় হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলার সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য মনোনয়নপ্রাপ্ত জহরত আদিব চৌধুরী বড়লেখার গর্বিত সন্তান হিসেবে সুপরিচিত। তিনি সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ অ্যাডভোকেট এবাদুর রহমান চৌধুরীর সুযোগ্য কন্যা।
পেশাগত জীবনে জহরত আদিব চৌধুরী একজন প্রতিষ্ঠিত করপোরেট লিডার। তিনি এপ্রিল ২০২৫ সালে দেশের শীর্ষস্থানীয় মোবাইল অপারেটর বাংলালিংকের ডেপুটি সিইও হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর আগে ২০১৪ সাল থেকে তিনি প্রতিষ্ঠানটির চিফ লিগ্যাল অফিসার ও কোম্পানি সেক্রেটারি হিসেবে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।
আইন পেশায়ও তিনি সুপ্রতিষ্ঠিত। তিনি লিংকনস ইনের একজন ব্যারিস্টার অ্যাট ল এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী। পাশাপাশি হার্ভার্ড বিজনেস স্কুল থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। টেলিযোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি, ফার্মাসিউটিক্যালস ও আর্থিক খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তার দুই দশকেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। করপোরেট গভর্নেন্স, রেগুলেটরি কমপ্লায়েন্স এবং ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশনে তার বিশেষ দক্ষতা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। রাজনীতিতেও তিনি সক্রিয়। বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে দলীয় কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।
মনোনয়ন ঘোষণার পর বড়লেখা, নকলা ও নালিতাবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকায় আনন্দের জোয়ার বইছে। স্থানীয় নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা তাকে অভিনন্দন জানিয়ে তার সফলতা কামনা করেছেন এবং সকলের কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।
রাজনৈতিক ঐতিহ্য, পেশাগত দক্ষতা ও নেতৃত্বগুণের সমন্বয়ে জহরত আদিব চৌধুরীর এই মনোনয়নকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা আশা করছেন, ভবিষ্যতে তিনি জাতীয় সংসদে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন।