প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৪৪ পিএম (ভিজিট : ১৬৯)

X
ইউএনও শামীমা
লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে ফুয়েল কার্ডের ছবির সঙ্গে চেহারার মিল না থাকায় প্রকাশ্যে এক মোটরসাইকেল গ্যারেজ কর্মচারীকে চপেটাঘাত ও লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা আক্তার জাহানের বিরুদ্ধে। এছাড়াও একই দিন লাঠি হাতে বাইকারদের শাসিয়েছেন বলেও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।
গতকাল বুধবার দুপুরে কালীগঞ্জ উপজেলার চাপারহাটের একটি ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। ওই দিন রাতের বেলা এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওতে দেখা যায়, পেট্রোল নিতে আসা বাইকারদের লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন নদী রায় নামের ওই তরুণ। এ সময় ইউএনও শামীমা আক্তার প্রথমে তার শার্টের কলার ধরে টানাটানি করেন এবং পরে তাকে জোরে বেশ কয়েকটি থাপ্পড় মারেন। এরপর ওই তরুণের মোটরসাইকেলের চাবি আটকে রাখেন তিনি।
ভুক্তভোগী নদী রায় জানান, অসুস্থ এক ব্যক্তির মোটরসাইকেল ও ফুয়েল কার্ড নিয়ে পেট্রোল নিতে পাম্পে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ইউএনও কোনো কথা না শুনেই তাকে থাপ্পড় মারেন। পরে উপস্থিত জনতার তোপের মুখে ঘণ্টাখানেক পর তাকে মোটরসাইকেলের চাবি ফিরিয়ে দেয়া হয়।
এদিকে একই দিন উপজেলার তুষভাণ্ডার বাজারের অপর একটি পেট্রোল পাম্পেও ইউএনওর বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা রক্ষার নামে বাইকারদের লাঠি হাতে শাসানোর অভিযোগ উঠেছে। সেখানে পাম্পের সামনে একটি মোটরসাইকেল ফেলে দেয়ার ঘটনায় উপস্থিত জনতার তোপের মুখে পড়েন ওই ইউএনও।
তবে চপেটাঘাতের এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন ইউএনও শামীমা আক্তার জাহান। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি শুধু তার গাড়ির চাবি নিয়েছিলাম, কারও গায়ে হাত তুলিনি। সম্ভবত তার কাছে সঠিক কার্ড ছিল না। নিয়ম না মেনে লাইনে দাঁড়ানোর কারণে চাবি নিয়ে পরে তাকে অফিসে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছিল। পরবর্তীতে তার অভিভাবকরা এলে চাবি বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।’