ছাত্রদলে বড় পদ পেলেন কার্জন হলের সিকিউরিটি গার্ড

অনলাইন ডেস্ক

রাজনীতি

ছাত্রদলের ঢাকা মহানগর পূর্ব শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কার্জন হলের এক সিকিউরিটি গার্ড

2026-05-09T08:27:38+00:00
2026-05-09T08:27:38+00:00
শনিবার ৮ আগস্ট ২০২৬ ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার ৮ আগস্ট ২০২৬
   
ছাত্রদলে বড় পদ পেলেন কার্জন হলের সিকিউরিটি গার্ড
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ৮:২৭ এএম   (ভিজিট : ১২২)
জুলহাস মিয়া
X

জুলহাস মিয়া

ছাত্রদলের ঢাকা মহানগর পূর্ব শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কার্জন হলের এক সিকিউরিটি গার্ড। বিষয়টি নিয়ে সংগঠনের ভেতরে-বাইরে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

গত ৪ এপ্রিল ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে ঢাকা মহানগর পূর্ব শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করা হয়। পরে শনিবার (২ মে) সংগঠনটির ফেসবুক পেজে কমিটির তালিকা প্রকাশ করা হলে সেখানে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে সিকিউরিটি গার্ড জুলহাস মিয়ার নাম দেখা যায়।

জানা গেছে, পদ পাওয়া ওই ব্যক্তির নাম জুলহাস মিয়া। তিনি বর্তমানে ঢাবির কার্জন হলের প্রধান ফটকে সিকিউরিটি গার্ড হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী।

পদ পাওয়া বিষয়টি প্রথম অস্বীকার করলেও পরবর্তীতে জুলহাস মিয়া জানান, দীর্ঘদিন ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে ‘সম্মানসূচক’ একটি পদ চেয়েছিলেন তিনি। ছয় মাস আগে ঢাকা মহানগরের (পূর্ব) সহসভাপতি মো. আক্তার হোসেনের কাছে সিভিও জমা দেন। তবে কমিটিতে থাকা জুলহাস মিয়া তিনিই কিনা, সে বিষয়েও পুরোপুরি নিশ্চিত নন বলে দাবি করেছেন তিনি।

যদিও ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের নেতারা বলেছেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি জুলহাস মিয়া। তবে নেতারা দাবি করেছেন, তার পেশাগত পরিচয় সম্পর্কে তারা অবগত ছিলেন না। 

জুলহাস মিয়া বলেন, আমি ছোটবেলা থেকেই ছাত্রদল করতাম। ২০১৭ সালে চাকরি শুরু করি। জীববিজ্ঞান অনুষদের (কার্জন হলের অন্তর্ভুক্ত) সিকিউরিটি গার্ড হিসেবে আছি। দীর্ঘদিন ধরে বড় ভাইদের সঙ্গে রাজনীতি করেছি। তাদের বলছিলাম ভাই একটা পোস্ট দিয়ে দিয়েন; তাহলে আমি কোনো সময় অন্তত বলতে পারব- মহানগরের এ জায়গায় আমার একটা পদ ছিল। এতটুকুই- আর কোনো কিছু না। তারা বলছেন- সম্মান দিয়ে পার করে দেব।

ছাত্রত্ব না থাকা সত্ত্বেও পদ কীভাবে পেয়েছেন এমন প্রশ্নের জবাবে জুলহাস বলেন, এক দেড় বছর বা ছয় মাস আগে আক্তার ভাইয়ের কাছে সিভি জমা দিয়েছিলাম। আক্তার ভাই একজন ছোট ভাইকে পাঠিয়ে সিভি নিয়েছিলেন। কিন্তু কমিটির জুলহাস মিয়া আমিই কিনা এটা এখনো শিওর না। এটা হতেও পারে নাও হতে পারে। এজন্য আমি কোনো ফেসবুক পোস্টও করিনি।

ছাত্রদলের ঢাকা মহানগর পূর্ব শাখার সহসভাপতি মো. আক্তার হোসেন বলেন, জুলহাস সিকিউরিটি গার্ড কিনা  তো আমি জানতাম না। আমি টিমে ছিলাম তাই সিভি গ্রহণ করছি- এটা তো সমস্যা না। 

প্রতিবেদককে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আপনার সঙ্গে আমি সামনা-সামনি কথা বলব। কালকে আপনি আমার সঙ্গে শাহবাগে বসে যেকোনো প্রশ্ন করেন- আমি উত্তর দেব। মোবাইলে কথা বলতে চাচ্ছি না।

ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. হান্নান মজুমদার বলেন, আমরা সিকিউরিটি গার্ডের পরিচয় জানতাম না। ছাত্রত্বের ব্যাপারটা এখন নাই- একাডেমিক সার্টিফিকেট লাগে। সে আমাদের প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির কাগজপত্র দিয়েছে।

ঢাবিতে চাকরিরত অবস্থায় ছাত্রদলের কমিটিতে পদ পাওয়ার বিষয়ে জানতে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন নাসিরের সঙ্গে মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলে তারা কল ধরেননি।




  বিষয়:   ছাত্রদল  ঢাকা মহানগর  সিকিউরিটি গার্ড 



Loading...
Loading...


রাজনীতি এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy