প্রকাশ: রোববার, ১৭ মে, ২০২৬, ৪:১৬ পিএম আপডেট: ১৭.০৫.২০২৬ ৪:২২ পিএম (ভিজিট : ৪৯)

X
ক্ষমতার মোহে নয়, কাজের মাধ্যমে জনগনের হৃদয়ে বেঁচে থাকতে চাই: নাদিয়া পাঠান পাপন এমপি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কৃতি কন্যা, ঢাকা দক্ষিণ মহানগর বিএনপির সদস্য ও জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নাদিয়া পাঠান পাপন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ৬টি সংসদীয় আসনসহ কুমিল্লা জেলার ৫টি আসনের দায়িত্ব প্রদান করেছেন। তিনি এই ১১টি সংসদীয় আসনের প্রতিটিতেই উন্নয়নের জন্য কাজ করবেন। বিশেষ করে সমাজের অবহেলিত নারী ও শিশুদের উন্নয়নে কাজ করবেন।
আজ রোববার দুপুরে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতকালে একথা বলেন।
নাদিয়া পাঠান পাপন এমপি বলেন, সরকার জনগনের জন্য কাজ করতে তাকে যে সুযোগ দিয়েছে তা তিনি আন্তরিকতার সাথে পালন করবেন। দায়িত্ব কিংবা পদ পদবীর ক্ষমতা এটা মানুষ যখন পেয়ে বসে তখন তাকে আকড়ে ধরে রাখার চেষ্টা করে। তিনি ক্ষমতার মোহ নয় বরং কাজের মাধ্যমে জনগনের হৃদয়ে বেঁচে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। সরকার তার প্রতি যে আস্থা রেখেছেন তা পালনে তিনি সকলের দোয়া চেয়েছেন। তিনি বলেন, সোমবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের দলীয় ৩৬ জন এমপির সাথে মিটিং করবেন। এজন্য আজকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া এসেছি। বাবার কবর জিয়ারত করবো। তিনি তার উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়নে সাংবাদিকদের সহযোগীতা কামনা করেছেন।
এ সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি জাবেদ রহিম বিজন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ বাহারুল ইসলাম মোল্লা, কার্যকরি কমিটির নেতৃবৃন্দসহ জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদিকগন উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে রোববার সকালে তিনি দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকায় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব শায়েখ সাজিদুর রহমানের বাসায় গিয়ে তার পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তিনি কুশল বিনিময় এবং দোয়া কামনা করেন।
সেখান থেকে তিনি শহরের ফারুকি পার্কে অবস্থিত স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তক অর্পন করে শ্রদ্ধা জানান ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের সাথে জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নসহ সার্বিক বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন।
উল্লেখ্য, নাদিয়া পাঠান পাপন এমপির বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার চান্দুরা ইউনিয়নের চান্দুরা গ্রামে।