ঠিক কতক্ষণ ঘুমালে যৌবন থাকবে দীর্ঘকাল

অনলাইন ডেস্ক

লাইফস্টাইল

তবে সম্প্রতি নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে আরও নির্দিষ্ট তথ্য। গবেষকদের দাবি, দীর্ঘায়ু, সুস্থ মস্তিষ্ক এবং বার্ধক্যকে পিছিয়ে দিতে প্রতিদিন ৬.৪ ঘণ্টা থেকে ৭.৮ ঘণ্টা ঘুমই সবচেয়ে আদর্শ।

2026-05-20T11:11:15+00:00
2026-05-20T11:11:15+00:00
শনিবার ৮ আগস্ট ২০২৬ ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার ৮ আগস্ট ২০২৬
   
ঠিক কতক্ষণ ঘুমালে যৌবন থাকবে দীর্ঘকাল
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ১১:১১ এএম   (ভিজিট : ১২৮)
প্রতীকী ছবি
X

প্রতীকী ছবি

শরীর ও মনে দীর্ঘদিন যৌবন ধরে রাখতে ঘুমের বিকল্প নেই এ কথা বহুদিন ধরেই বলছেন চিকিৎসক ও বিজ্ঞানীরা। তবে সম্প্রতি নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে আরও নির্দিষ্ট তথ্য। গবেষকদের দাবি, দীর্ঘায়ু, সুস্থ মস্তিষ্ক এবং বার্ধক্যকে পিছিয়ে দিতে প্রতিদিন ৬.৪ ঘণ্টা থেকে ৭.৮ ঘণ্টা ঘুমই সবচেয়ে আদর্শ।

গবেষণাটি করেছেন আমেরিকার কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির গবেষকেরা। প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের উপর দীর্ঘমেয়াদি সমীক্ষা চালিয়ে তারা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন।

এতদিন পর্যন্ত সাধারণ ধারণা ছিল, সুস্থ থাকতে রাতে অন্তত ৮ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। কিন্তু নতুন গবেষণা বলছে, অতিরিক্ত ঘুমও শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। আবার খুব কম ঘুমও ডেকে আনতে পারে নানা শারীরিক ও মানসিক সমস্যা।

গবেষকদের মতে, প্রতিদিন ৬.৪ থেকে ৭.৮ ঘণ্টা টানা ঘুম হলে শরীরের কোষ পুনর্গঠন ঠিকভাবে হয়, মস্তিষ্ক সতেজ থাকে এবং শরীরের জৈবিক ঘড়ি বা ‘বায়োলজিক্যাল ক্লক’ সঠিকভাবে কাজ করে। এর ফলে বার্ধক্যের গতি ধীর হয় এবং দীর্ঘদিন তারুণ্য বজায় থাকে।

বর্তমান জীবনযাত্রায় মানুষের ঘুমের ধরনে বড় পরিবর্তন এসেছে। রাত জেগে কাজ, মোবাইল ফোনে দীর্ঘক্ষণ ব্যস্ত থাকা, শিফট ডিউটি, অফিসের চাপ কিংবা অনিয়মিত জীবনযাত্রার কারণে ঘুমের সময় প্রতিদিনই বদলে যাচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়ি এত দ্রুত এই পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারে না। ফলে ঘুমের অভাবে বাড়ছে উদ্বেগ, ক্লান্তি, মানসিক চাপ এবং নানা দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক সমস্যা।

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ঘুমের সময় মানুষ নিস্তেজ থাকলেও মস্তিষ্ক পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় থাকে না। বরং ওই সময় মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে এবং গুরুত্বপূর্ণ কিছু অংশ সক্রিয়ভাবে কাজ করতে থাকে।

বিশেষ করে মস্তিষ্কের ‘হাইপোথ্যালামাস’ ও ‘ব্রেন স্টেম’ অংশ ঘুম ও জাগরণের পুরো প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। এই অংশগুলোর স্নায়ুকোষ শরীরকে কখন বিশ্রাম নিতে হবে এবং কখন সক্রিয় হতে হবে, সেই নির্দেশ দেয়।

গবেষকদের ভাষায়, ঘুমের প্রধান কাজ হলো শরীরকে পুনরুজ্জীবিত করা। ঘুমের সময় শরীরের কোষ মেরামত হয়, হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকে এবং মস্তিষ্ক নতুন করে শক্তি সঞ্চয় করে।

তাদের দাবি, এই পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হতে অন্তত ৬.৪ থেকে ৭.৮ ঘণ্টা সময় প্রয়োজন।

প্রয়োজনের চেয়ে কম ঘুম হলে ক্লান্তি, উদ্বেগ ও মানসিক চাপ বাড়ে। অতিরিক্ত ঘুম হাঁপানি, সিওপিডি এবং বাতের সমস্যার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, নিয়ম মেনে পরিমিত ঘুমই সুস্থ ও দীর্ঘ জীবনের অন্যতম প্রধান শর্ত।




  বিষয়:   সম্প্রতি  দীর্ঘকাল  যৌবন 



Loading...
Loading...


লাইফস্টাইল এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy