প্রকাশ: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ৫:১৯ পিএম (ভিজিট : ৯২)

X
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা
নিজের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা করতে থানায় গিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। শুক্রবার এক ফেসবুক পোস্টে তিনি নিজেই এ তথ্য জানিয়েছেন।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী লিখেছেন, ‘আমরা বর্তমানে থানায় অবস্থান করছি এবং মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছি।’
এর আগে ঝিনাইদহ পুরাতন কালেক্টরেট জামে মসজিদে জুমার নামাজ শেষে বের হলে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। সেসময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ তার সঙ্গে কথা বলতে যান। তখন পেছন দিক থেকে কিছু যুবক ডিম নিক্ষেপ করে এবং হামলা চালায়। এতে এনসিপির কয়েকজন স্থানীয় যুবক আহত হন।
এ ঘটনার পর এনসিপির নেতারা বিক্ষোভ করেন। তারা স্বরাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি ও হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
ফেসবুক পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী লেখেন, ‘ঝিনাইদহে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী জেলা প্রশাসকের বাসভবনের ঠিক বিপরীতে পৌর কালেক্টর জামে মসজিদে জুমআর নামাজ আদায় শেষে বের হওয়ার পরপরই ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মী পুলিশের উপস্থিতিতেই হামলা শুরু করে। প্রথমে ডিম, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়, এরপর হকিস্টিক দিয়ে অতর্কিতভাবে আঘাত করা হয়। তিনজনের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। আমাকে এবং এনসিপির যুগ্ম সদস্য তারেক রেজাকে লক্ষ্য করেও কিল-ঘুষি মারা হয়। এ সময় হামলাকারীরা মোবাইল ফোন, ক্যামেরা এবং মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। ঘটনার পর আমরা বর্তমানে থানায় অবস্থান করছি এবং মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছি। ছাত্রদল, যুবদল, বিএনপি আবার থানার সামনে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।’
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদউজ্জামান জানান, শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী মামলা করতে থানায় এসেছেন।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীবিভিন্ন জেলায় সফরে গিয়ে বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দকে নিয়ে নানা করুচিপূর্ণ বক্তব্য দিচ্ছে। তিনি ঝিনাইদহ সফরে এলে আমি তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য না দেয়ার বিষয়ে আলাপ করতে যাই। এসময় স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা ডিম নিক্ষেপ করে। মারামারি বা ডিম নিক্ষেপের সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই।’