
X
জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এমপিসহ প্রতিনিধিরা
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির সাত দিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় দাফন ও শোকানুষ্ঠান শুক্রবার শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষে বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি ইরানে পৌঁছেছেন বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি।
শোকানুষ্ঠানে অংশ নেওয়া বিদেশি প্রতিনিধিদলের জন্য স্বতন্ত্রভাবে পবিত্র কোরআনের বিভিন্ন আয়াত তেলাওয়াত করা হয়। এর অংশ হিসেবে বাংলাদেশের জামায়াত জোটের প্রতিনিধি হয়ে জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এমপিসহ প্রতিনিধিরা উপস্থিত হলে তাদের উদ্দেশ্যে একটি নির্দিষ্ট কোরআনের আয়াত তেলাওয়াত করা হয়।
বিষয়টি সামনে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও নানা ধরনের ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ শুরু হয়েছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধিদের সামনে ইরানের ক্বারী সূরা আল ইমরানের ১৬৯,১৭০ নং আয়াত তেলাওয়াত করেন৷
১৬৯ নম্বর আয়াত (শুরু): وَلَا تَحْسَبَنَّ الَّذِينَ قُتِلُوا فِي سَبِيلِ اللَّهِ أَمْوَاتًا ۚ بَلْ أَحْيَاءٌ عِنْدَ رَبِّهِمْ يُرْزَقُونَ
বাংলা অনুবাদ:
“যারা আল্লাহর পথে নিহত হয়েছে, তাদেরকে মৃত মনে করো না। বরং তারা তাদের রবের কাছে জীবিত এবং রিযিকপ্রাপ্ত।”
১৭০ নম্বর আয়াত (পরবর্তী অংশ):
فَرِحِينَ بِمَا آتَاهُمُ اللَّهُ مِن فَضْلِهِ وَيَسْتَبْشِرُونَ بِالَّذِينَ لَمْ يَلْحَقُوا بِهِم مِّنْ خَلْفِهِمْ أَلَّا خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلَا هُمْ يَحْزَنُونَ
বাংলা অনুবাদ:
“তারা আনন্দিত যা আল্লাহ তাদেরকে তাঁর অনুগ্রহ থেকে দিয়েছেন। আর তারা সুসংবাদ দেয় তাদের জন্য যারা এখনো তাদের সাথে মিলিত হয়নি — তাদের কোনো ভয় নেই এবং তারা দুঃখিতও হবে না।”
ইরান প্রত্যেক দেশের প্রতিনিধিদের জন্য খুবই সচেতন ভাবে কোরআনের আয়াত বাছাই করে৷
জামায়াত ইসলামির ক্ষেত্রেও ব্যতিক্রম নয় বলে বিশ্বাস করে তারা৷ আর মুসলিম কান্ট্রিগুলোর সাথে জামায়াতের নিবিড় সম্পর্ক আছে৷
জামায়াতকে ভালো করেই সবাই জানে ইরানের সরকার। উপরের আয়াতগুলো শহিদদের নিয়ে নাযিল হয়েছে৷
জামায়াতের (ইনক্লুডিং শিবির) শহিদদের ইন্ডিকেট করে উক্ত আয়াত দুটি তেলাওয়াত করা হইছে৷
ফাঁসিতে ঝুলিয়ে যাদের শহিদ করা হয়ছে, বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে যাদের হত্যা করা হয়ছে তাদের ব্যাপারে বলা হয়েছে৷
৭০ নং আয়াতে, আর যারা এখনো শহিদ জীবিত,ময়দানে আছে, তাদের ব্যাপারে শহিদরা আশা করেন যে তারা ও একদিন শহিদ হয়ে শহিদদের মতো মর্যাদাপূর্ণ জীবন লাভ করবেন৷