
X
সংগৃহীত ছবি
জাতীয়তাবাদী যুবদল তাদের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত কয়েকটি সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে।
সংগঠনটির দাবি, কিছু সংবাদমাধ্যমে শিরোনাম পরিবর্তন করে প্রায় একই ধরনের প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও একপাক্ষিক বিশ্লেষণ উপস্থাপন করা হয়েছে।
এক বিবৃতিতে যুবদল জানায়, প্রকাশিত সংবাদের শিরোনাম, উপস্থাপনা ও বিশ্লেষণে ব্যবহৃত ভাষা বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার নীতিমালা ও পেশাগত মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বাস্তব তথ্য ও চলমান সাংগঠনিক কার্যক্রমের যথাযথ প্রতিফলন ছাড়াই সংগঠন সম্পর্কে চূড়ান্ত মন্তব্য করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, জাতীয়তাবাদী যুবদল দেশের অন্যতম বৃহৎ ও ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক যুবসংগঠন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, মানবাধিকার এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন আন্দোলনে সংগঠনটি সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে।
যুবদলের ভাষ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে সংগঠনের ৮২টি সাংগঠনিক ইউনিটের নেতাকর্মীরা কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এমপির নেতৃত্বে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। এ আন্দোলনে যুবদলের ৭৮ জন নেতাকর্মী নিহত হয়েছেন এবং শত শত নেতাকর্মী স্থায়ীভাবে আহত বা পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন বলে দাবি করা হয়।
পূর্ণাঙ্গ কমিটির আকার সীমিত রাখার দলীয় নীতির কারণে যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অনেককে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়নি উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব দলের উচ্চপর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে এবং ইতিবাচক সমাধানের প্রত্যাশা করছে।
এছাড়া বর্তমানে কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় দেশব্যাপী সাংগঠনিক পুনর্গঠন, সদস্য সংগ্রহ, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও জনসম্পৃক্ত কর্মসূচি নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে বলেও জানানো হয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জাতীয়তাবাদী যুবদল সুশৃঙ্খল ও আদর্শভিত্তিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বিশ্বাসী। সংগঠনের নাম ব্যবহার করে কোনো ব্যক্তি বেআইনি বা অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়ালে অভ্যন্তরীণ তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এ ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ সংগঠনের নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ বলেও উল্লেখ করা হয়।
যুবদলের দাবি, এসব বাস্তবতা উপেক্ষা করে সংগঠনটিকে ‘মৃতপ্রায়’ হিসেবে আখ্যায়িত করা তথ্যভিত্তিক মূল্যায়ন নয়; বরং এটি একপাক্ষিক ও বিভ্রান্তিকর উপস্থাপনা।
বিবৃতিতে দায়িত্বশীল গণমাধ্যমের প্রতি সংবাদ ও মতামতের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, কোনো সংগঠন সম্পর্কে মূল্যায়নধর্মী প্রতিবেদন প্রকাশের আগে নির্ভরযোগ্য তথ্য, পরিসংখ্যান ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্যকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।