
X
বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আজকে অনেকেই দাবি করে, কারও নাম উল্লেখ করতে চাই না, একটি শব্দ ‘গুপ্ত’ ব্যবহার করলেই সাধারণ মানুষও তাদের চিনে। আন্দোলনের সময় আমরা অনেক খুঁজেছি, কিন্তু তাদের পাইনি।
আপনারা কি রাজপথে তাদের দেখেছিলেন? বিভিন্ন সময়ে তাদের দেখেছি, যারা দেশ থেকে পালিয়ে গেছে, তাদের সঙ্গে। শেষের দিকে কিছু জায়গায় দেখেছি। কিন্তু ১৭ বছর বিভিন্ন জায়গায় তাদের দেখিনি।’
সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর নেতাদের সম্মানে আয়োজিত নৈশভোজের আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘এ কারণেই দেশের মানুষ যুগপৎ আন্দোলনের নেতৃত্বের ওপর আস্থা রেখেছে এবং বিশ্বাস করেছে, তারাই দেশকে এগিয়ে নিতে পারবে।’
দেশের মানুষের আস্থা ধরে রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘জনগণ প্রত্যাশা নিয়ে দায়িত্ব দিয়েছে। তাই আগে সেই দায়িত্ব পালন করতে হবে, পরে নিজেদের কথা ভাবা যাবে।
বক্তব্যে অন্তর্বর্তী সরকারের এক উপদেষ্টার সঙ্গে নিজের কথোপকথনের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, কয়েক দিন আগে ওই উপদেষ্টা তাকে বলেছেন, ১৮ মাস দেশ পরিচালনার সময় তারা খুব অসহায়ের মতো ছিলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সরকারের ৬০ শতাংশের বেশি জায়গায় সেই ‘গুপ্তবাহিনীর’ প্রভাব ছিল।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই উপদেষ্টার বক্তব্য অনুযায়ী, নির্বাচনের পর জনগণের রায়ের কারণে তারা দিশাহারা হয়ে গেছে এবং বিভিন্ন ধরনের বক্তব্য দিচ্ছে, যা সংবাদপত্র ও সামাজিক মাধ্যমে দেখা যাচ্ছে।
তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা একসঙ্গে আছি, একসঙ্গে ছিলাম, ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও একসঙ্গে থাকবো। আমাদের মধ্যে ডিফারেন্স অব ওপিনিয়ন (মতভিন্নতা) হতে পারে, কিন্তু ভুল বোঝাবুঝির কোনো কারণ আছে বলে মনে করি না। ৩১ দফার মাধ্যমে আমরা একটি জায়গায় একত্রিত হয়েছি। আমাদের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য এক।’