প্রকাশ: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৭:২০ পিএম (ভিজিট : ২৮)

X
সংগৃহীত ছবি
হবিগঞ্জে ঘোষিত প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার পথে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীরা দফায় দফায় পুলিশের বাধার মুখে পড়েছেন।
বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের চা-কন্যা এলাকায় প্রথমে তাদের গাড়িবহরের গতিরোধ করে পুলিশ।
পরে পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে বহরটি হবিগঞ্জের উদ্দেশে যাত্রা অব্যাহত রাখলেও জেলার মিরপুর এলাকায় গিয়ে আবারও তাদের থামিয়ে দেওয়া হয়। এ সময় প্রতিবাদ জানিয়ে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীরা সড়কে অবস্থান নিয়ে বসে পড়েন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
এ সময় এনসিপির আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, হবিগঞ্জে আমাদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি ছিল। প্রথমে আমাদের শ্রীমঙ্গলে বাধা দেয়া হয়েছে। তারপর কয়েক দফায় বালুর ট্রাক, ট্রাক্টর ইত্যাদি গাড়ি দিয়ে বাধা দিয়েছে। এরপর এখানে পুলিশ আটকে রেখেছে।
তিনি আরও বলেন, 'আমরা বলেছি- যেহেতু হবিগঞ্জের পৌর এলকারয় ১৪৪ ধারা জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন, তাই শুধু যাবো এবং মামলা করবো, আহতদের দেখবো, তাদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে চলে আসবো। প্রয়োজনে আপনারা (পুলিশ) যতজন বলবেন আমরা ততজন যাবো। আমাদেরকে সহযোগিতা করুন, আমরা এখানে কোনো অশান্তি চাই না। এখানে কিন্তু ১৪৪ ধারা জারি নেই। তারা (পুলিশ) আমাদেরকে ব্যারিকেড দিয়ে রেখেছে। তারা আমাদের যেতে দেবে না। তিনি আরও বলেন, আমরা আসছি ঢাকা থেকে হবিগঞ্জে মামলা করবো, তারপর যাবো।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ শহরের টাউন হলের সামনে পদযাত্রা শেষে ফেরার পথে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমের গাড়িতে স্থানীয় ছাত্রদল নেতাকর্মীরা অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় সাংবাদিক ও এনসিপি নেতাকর্মীরা আহত হন। এ ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার (২৯ জুলাই) সারাদেশে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দেয় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
এদিকে, বিএনপি ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)র নেতাকর্মীদের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে হবিগঞ্জে পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন।
বুধবার (২৯ জুলাই) জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. জিএম সরফরাজ এ আদেশ জারি করেন। এতে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত পৌর এলাকার নির্ধারিত স্থানে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির জমায়েত, মিছিল, সমাবেশ ও শোভাযাত্রা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।