প্রকাশ: সোমবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২২, ৬:৪২ পিএম (ভিজিট : ৩২)

X
২০১৬ সালে আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথম দ্বিপাক্ষিক ওয়ানডে সিরিজ খেলেছিল বাংলাদেশ। হোয়াইটওয়াশের আশা জাগালেও সেবার ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জয় নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয় মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার নেতৃত্বাধীন দলকে। এবার ওয়ানডের ‘আর্মব্যান্ড’ তামিম ইকবালের হাতে। প্রথম দুই ম্যাচের জয়ে সিরিজ জিতলেও তৃতীয় ম্যাচে আফগানিস্তানের কাছে বড় ব্যবধানের পরাজয় বরণ করেছে বাংলাদেশ। সিরিজের শেষ ম্যাচে ৭ উইকেটে জয় নিয়ে হোয়াইটওয়াশ এড়ালো আফগানরা।
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভার ব্যাট করতে পারেনি বাংলাদেশ। ৪৬.৫ ওভারে অলআউট হওয়ার আগে দলীয় সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৯২।
যদিও আগের ম্যাচের মত এই ম্যাচেও উজ্জ্বল ছিলেন লিটন দাস। যদিও সতীর্থদের যোগ্য সমর্থন পাননি। ১১৩ বলে ৭টি চারে গড়া তার ৮৬ রানের ইনিংস থামলে খেই হারিয়ে ফেলে দল। অন্যান্যদের মধ্যে সাকিব আল হাসান ৩৬ বলে ৩০ ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ৫৩ বলে অপরাজিত ২৯ রানের ইনিংস খেলেন।
আফগানদের পক্ষে রশিদ খান তিনটি ও মোহাম্মদ নবী দুটি উইকেট শিকার করেন। বাংলাদেশের ইনিংসে তিনটি উইকেট ছিল রান আউট।
জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতেই আফগানরা পায় ৭৯ রান। ৪৯ বলে ৩৫ রান করে রিয়াজ হাসান বিদায় নিলেও আরেক ওপেনার রহমানউল্লাহ গুরবাজকে নিয়ে ১০০ রানের জুটি গড়েন রহমত শাহ। তাদের জুটিতে ‘অবদান’ আছে বাংলাদেশের ক্যাচ হাতছাড়া আর মিস ফিল্ডিংয়ের মহড়ার।
৪৭ রান করে রহমত বিদায় নেন ৩ রানের আক্ষেপ নিয়ে। তবে গুঁরবাজ আক্ষেপের আগুনে পুড়েননি, ঠিকই তুলে নিয়েছেন ক্যারিয়ারের তৃতীয় শতক। ইতিহাসের পঞ্চম ব্যাটার হিসেবে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম তিন পঞ্চাশ ছাড়ানো ইনিংসকেই রূপ দেন শতকে।
শেষপর্যন্ত ৪০.১ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে আফগানিস্তান লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। ১১০ বলে ১০৬ রান করে অপরাজিত থাকেন গুরবাজ। বাংলাদেশের পক্ষে মেহেদী হাসান মিরাজ দুটি ও সাকিব আল হাসান একটি উইকেট শিকার করেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
টস : বাংলাদেশ
বাংলাদেশ : ১৯২/১০ (৪৬.৫ ওভার); লিটন ৮৬, সাকিব ৩০, রিয়াদ ২৯*
রশিদ ৩৭/৩, নবী ২৯/২
আফগানিস্তান : ১৯৩/৩ (৪০.১ ওভার); গুরবাজ ১০৬*, রহমত ৪৭, রিয়াজ ৩৫
মিরাজ ৩৭/২, সাকিব ৪৭/১
ফলাফল: ৭ উইকেটে জয়ী আফগানিস্তান।