প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৫ আগস্ট, ২০২২, ৬:২৪ পিএম আপডেট: ২৫.০৮.২০২২ ৬:২৭ পিএম (ভিজিট : ২৪৭)

X
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা: মোঃ এনামুর রহমানের সাথে আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে মাননীয় প্রতিমন্ত্রীর অফিসকক্ষে মিয়ানমার বিষয়ক জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত নোয়েলিন হেজার (Noeleen Heyzer) সাক্ষাৎ করেন।
সাক্ষাৎকালে বলপূর্বক ব্যস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিক রোহিঙ্গাদের বিষয়ে আলোচনা হয়। ব্যস্তুচ্যুত এসকল মিয়ানমার নাগরিকের সহায়তা দানে বাংলাদেশ সরকার বিশেষ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মানবীয় পদক্ষেপের প্রশংসা করা হয়। কক্সবাজারের ক্যাম্পসমূহে এ সকল নাগরিকদের আহার, সুপেয় পানি, চিকিৎসা, শিক্ষা, পয়:নিস্কাশন ইত্যাদি বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।
প্রতিমন্ত্রী মিয়ানমারের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত নাগরিক রোহিঙ্গাদের তাঁদের নিজ দেশে প্রত্যাবর্তনের উপর গুরুত্বারোপ করেন । প্রতিমন্ত্রী বলেন,রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী তাঁদের নিজ দেশে প্রত্যাবর্তনের পর যাতে হাতে-কলমে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতে পারে সেলক্ষ্যে তাদেরকে কারিগরি ও অন্যান্য বিষয়ে লেখাপড়ার ওপর গুরুত্ব দিয়ে সরকার কাজ করছে । তিনি বলেন, কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রতিবছর হাজার হাজার নতুন শিশু জন্ম নিচ্ছে, এতে প্রতিবছরই রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। মিয়ানমার যেহেতু এ সমস্যা সৃষ্টি করেছে তাই তাদেরকেই এ সমস্যার সমাধানে এগিয়ে আসতে হবে। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিজ দেশে প্রত্যাবর্তনে মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টির লক্ষ্যে বিশ্ব জনমত গঠনে এগিয়ে আসতে প্রতিমন্ত্রী বিশ্ব নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানান ।
জাতিসংঘের বিশেষ দুত বলেন, বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকরা যেন মর্যাদাপূর্ণ ও নিরাপদে নাগরিক অধিকারসহ তাঁদের নিজ দেশে ফেরত যেতে পারেন সেলক্ষ্যে আসিয়ান সহ তাঁরা কাজ করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশে আসার পূর্বে তিনি মিয়ানমার ভ্রমণ করেন এবং এসকল নাগরিকদের ফেরত নেওয়ার জন্য মিয়ানমার সরকারের সাথে আলোচনা করেছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ব্যস্তুচ্যুত এসকল মিয়ানমার নাগরিকরা যেন যথাযথ যাচাইকরণের মাধ্যমে তাঁদের নিজ দেশে ফেরত যেতে পারেন সেলক্ষ্যে অবশ্যই সর্ব্বোচ্চ চেষ্ঠা চালিয়ে যেতে হবে। তাঁর এ সফরের মাধ্যমে বিশ্ব সম্প্রদায়কে সঠিক তথ্য প্রদান এবং দৃষ্টি আকর্ষণের মাধ্যেমে সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন মর্মে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ সময় মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: কামরুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।
বাবু/এসএম