
X
সুদীর্ঘ সময় ধরে চলচ্চিত্রের সাথে জড়িয়ে আছেন এম এ আওয়াল পিন্টু। নির্মাণের বিভিন্ন অংশে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। চলচ্চিত্র পরিচালনাসহ বর্তমান সময় নিয়ে কথা বলেছেন বাংলাদেশ বুলেটিন এর সাথে। আনোয়ার বারী পিন্টু
কেমন আছেন?
জি ভালো আছি।
চলচ্চিত্রে আপনার শুরুটা কীভাবে?
একদিন বিএফডিসিতে আসলাম। এক ফ্লোরে তখনকার সুপারস্টার জসিমসহ বিখ্যাত শিল্পীরা বসে আছেন। তখন দেশবরেণ্য পরিচালক জে জে মিন্টু আসলেন কাজ শুরু হলো। এসময় লক্ষ্য করলাম বিখ্যাত সব শিল্পীরা ওনাকে দেখে দাঁড়িয়ে গেলেন। দৃশ্যটা দেখে আমার মন নাড়া দিয়ে উঠলো। যেখানে বিখ্যাত সব আর্টিষ্টরা সবাই একজন ডিরেক্টরকে দেখে দাড়িঁয়ে গেলেন তাহলে ডিরেক্টরের সম্মান কত বড় হতে পারে। সেদিন থেকেই সিদ্ধান্ত নিলাম আমাকে যে করেই হোক ডিরেক্টর হতে হবে।
কত সালের ঘটনা?
১৯৮৫ সাল।
লম্বা এই জার্নিতে কাদের সাথে কাজ করা হলো, অভিজ্ঞতা কী?
দেশের সব বড় তারকাদের সাথেই আমার কাজ করা হয়েছে। শাবানা ম্যাডাম থেকে শুরু করে এ প্রজন্মের অনেকের সাথেই আমার নানা সময়ে একসাথে কাজের সূচনা হয়েছে। বহু হিট ছবির সাথে আমি জড়িয়ে আছি।
বলা হচ্ছে, চলচ্চিত্র এখন মানুষ আর দেখে না, আপনার মত কী?
এ কথা আমি মানি না। কারণ মাই টিভি শুধুমাত্র বাংলা ছবি চালিয়ে দেশজুড়ে ভালো অবস্থানে চলে এসেছে। তাহলে ছবিগুলো কারা দেখছে। বিষয়টা হলো আমাদের নানা বিষয় ঘাটতি রয়েছে। যেমন এখনকার গল্পগুলো মনে যা আসে বেশীরভাগ তাই দেয়া হচ্ছে। দর্শকদের কথা এবং সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে গল্প সৃষ্টি করা হচ্ছে না। একই সাথে শাবানা, ববিতা, রাজ্জাক, আলমগীরদের মতো তারকা সৃষ্টি করতে ব্যর্থ হচ্ছি। আমি বলবো ছবির দর্শক এখনো আছে।
তাহলে কী আপনি বলছেন, সব ছবিই চলছে বা হিট হচ্ছে মানুষ দেখছে?। না, বিষয়টা তা নয়, কালেভাদ্রে যদি দুই একটি ছবি হিট হয়ে যায় সেটাকে ভালো সময় বলা যাবে না। বারো মাসে যদি অন্তত ছয়টি ছবি হিট হয় তবেই বলা যাবে চলচ্চিত্র জেড়ে উঠেছে।
তাহলে মন্দ এই সময়ে কীভাবে সোনালী সময়ে ফিরে যাওয়া যায়?
ওই যে বললাম, দেশের সংস্কৃতির গল্প ও সময়ের সাথে সংযোগ রেখে গল্প সৃষ্টি ও পেশাদার শিল্পী তৈরীর মাধ্যমেই এগিয়ে যাওয়া সম্ভব।
বর্তমানে ব্যস্ততা কী নিয়ে?
কয়েকটি কাজ হতে আছে। এগুলো নিয়ে কাজ করছি।
সময় দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।
আপনাকেও ধন্যবাদ।
বাবু/জাহিদ