
X
সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজা, বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের প্রবারণা পূর্নিমা ও মুসলমানদের পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে টানা সরকারি ছুটিতে বান্দরবানে পর্যটকদের ঢল নেমেছে। এরই মধ্যে বেশিরভাগ আবাসিক হোটেলে শতভাগ বুকিং হয়ে গেছে।
আর পাহাড় প্রকৃতি ও ঝর্ণার অপরূপ রূপ দেখে মুগ্ধ হচ্ছে প্রকৃতিপ্রেমীরা।
পর্যটন জেলা বান্দরবানে সারা বছরই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে ছুটে আসে হাজার হাজার পর্যটক। তবে সরকারি যেকোনো ছুটির দিনে পর্যটকদের সংখ্যা বাড়ে কয়েকগুণ। দিন দিন বান্দরবানে নতুন নতুন পর্যটন কেন্দ্র উন্মোচনের পাশাপাশি হোটেল রিসোর্টও বাড়ছে। আর সে কারণে এই জেলায় বাড়ছে পর্যটকদের সংখ্যা।
জেলার মেঘলা, নীলাচল, প্রান্তিক লেক, শৈল প্রপাত, চিম্বুক, নীলগীরিসহ প্রতিটি পর্যটনকেন্দ্র এখন মুখরিত পর্যটকদের কোলাহলে। পাহাড়, নদী আর ঝিরি-ঝর্ণার অপরূপ রূপ দেখে বিমোহিত হচ্ছে প্রকৃতিপ্রেমী পর্যটকেরা।
এদিকে টানা সরকারি ছুটির কারণে পর্যটকদের ভীড়ে ইতোমধ্যে জেলার সব হোটেল-মোটেল আর রির্সোটগুলো বুকিং হয়ে গেছে। নতুন কোনো পর্যটক আর কক্ষ পাচ্ছে না কোথাও। তবে আগত সব পর্যটকের পর্যাপ্ত সেবা দিতে কাজ করছে হোটেল কর্তৃপক্ষ।
বান্দরবান পর্যটন মোটেলের ব্যবস্থাপক আলোক বিকাশ চাকমা জানান, টানা ছুটির কারণে পর্যটন মোটেলের সব কক্ষ ১০ অক্টোবর পর্যন্ত বুকিং হয়ে গেছে।
তিনি আরও বলেন, অনেক পর্যটক এখন আমাদের হোটেলে আসছে। তবে আমাদের এসি, নন এসি সর্বমোট ২৫টি কক্ষ ভাড়া হয়ে যাওয়াতে আর কাউকে ভাড়া দিতে পারছি না।
এদিকে ট্যুরিস্ট পুলিশ বান্দরবান জোনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, বান্দরবানে প্রতিদিনই অসংখ্য পর্যটকের আগমন ঘটে, সেজন্য পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য পর্যটন স্পটগুলোতে পোশাকধারী ও সাদা পোশাকে ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্যরা নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, বান্দরবানে বেড়াতে আসা পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তায় ট্যুরিস্ট পুলিশ কাজ করছে এবং যেকোন পর্যটক কোনো সমস্যায় পড়লে ট্যুরিস্ট পুলিশের সহায়তা নিতে পারবে।
বাবু/এসএম