ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং: পল্লী বিদ্যুতের ক্ষতি ১৮ কোটি টাকা

জাতীয়

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইবি) ৪০টি সমিতির এক কোটি দুই লাখ ৭২ হাজার ৯২৯ জন গ্রাহক

2022-11-01T21:29:50+00:00
2022-11-01T21:29:50+00:00
শুক্রবার ৭ আগস্ট ২০২৬ ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
শুক্রবার ৭ আগস্ট ২০২৬
   
ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং: পল্লী বিদ্যুতের ক্ষতি ১৮ কোটি টাকা
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১ নভেম্বর, ২০২২, ৯:২৯ পিএম   (ভিজিট : ১৬৪২)
X

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইবি) ৪০টি সমিতির এক কোটি দুই লাখ ৭২ হাজার ৯২৯ জন গ্রাহক বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়েছিলেন। এতে প্রায় দুই দিন অন্ধকারে ছিলেন ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলীয় এলাকার গ্রাহকরা। এরপর ধীরে ধীরে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে আসে। ঝড়ে প্রাথমিকভাবে ১০ থেকে ১২ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে জানানো হলেও বাস্তবে ক্ষতির পরিমাণ গিয়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৮ কোটি টাকায়।

আরইবি সূত্র জানায়, ঝড়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে ট্রান্সফরমার ও খুঁটির। ৪০ সমিতির মধ্যে বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙেছে এক হাজার ২১০টি। টাকায় এই ক্ষতির পরিমাণ চার কোটি ৮৪ লাখ। ট্রান্সফরমার নষ্টের সংখ্যা ৫৭৭টি, ক্ষতির পরিমাণ  চার কোটি ৩২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। এর বাইরে তার ছেঁড়া স্প্যান ছিল ১০ হাজার ২৬৩টি, ক্ষতির পরিমাণ সাত কোটি ৬৯ লাখ ৭২ হাজার ৫০০ টাকা। ইনসুলেটর ক্র্যাক হয়েছে এক হাজার ৮০২টি, টাকার পরিমাণ এক কোটি ৮০ লাখ দুই হাজার টাকা। মিটার ভেঙেছে আট হাজার ৩৬৬টি, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এক কোটি ৩৯ হাজার ২০০ টাকা।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দুই সমিতি হচ্ছে লক্ষ্মীপুর ও পটুয়াখালী। ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ে সবচেয়ে বেশি ট্রান্সফরমার নষ্ট হয়েছে পটুয়াখালীতে ৪৫টি। বেশি খুঁটি নষ্ট হয়েছে লক্ষ্মীপুর ও পটুয়াখালীতে, সেখানে ১২৫টি করে খুঁটি ভেঙেছে। তার বেশি ছিঁড়েছে পটুয়াখালীতে, ৬৪৩টি। ইনসুলেটর ক্র্যাক করেছে লক্ষ্মীপুরে ১৮০টি। এদিকে মিটার ভেঙেছে সবচেয়ে বেশি বরিশালে ৫৮৬টি।

আরইবির সদস্য আমজাদ হোসেন বলেন, আমরা সরবরাহ স্বাভাবিক করে এনেছি। এখন সবাই স্বাভাবিক সরবরাহ পাচ্ছেন। তবে এর জন্য প্রত্যেকটি সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অক্লান্ত পরিশ্রম করতে হয়েছে। গত কয়েক দিন রাত-দিন কাজ করে এই লাইন ঠিক করা হয়েছে।

আরইবি দেশের সব গ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। শতভাগ বিদ্যুতায়নের পর আরইবির আওতা বেড়েছে। ঝড়ের কবলে পড়া এসব উপজেলার অনেকগুলোতে আগে বিদ্যুৎ ছিল না। এখন সব জায়গায় বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় যেকোনও প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর পরিস্থিতি খারাপ হওয়াটা স্বাভাবিক।

কর্মকর্তারা জানান, আরইবি যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ সেবা দিয়ে আসছে সেগুলো গ্রামীণ এলাকা হওয়ায় বিতরণ লাইনের ওপর গাছপালা বেশি থাকে। নিয়মিত এসব গাছের ডাল কেটে পরিষ্কার রাখা হলেও একেবারে গাছ কেটে ফেলা যায় না। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ দেখা যায়। ঝড় হলে লাইনের ওপর গাছ পড়ে তার যেমন ছিঁড়ে যায়, আবার বিদ্যুতের খুঁটিও ভেঙে যায়। মূলত এই কারণেই ক্ষতির মাত্রা বেশি হয়।

বাবু/এসআর 





Loading...
Loading...


জাতীয় এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : bulletinadbd@gmail.com
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy