দিনাজপুরে ৬ আসনের ৫টিতেই দ্বন্দ্ব

রেমিনা আকতার, দিনাজপুর

রাজনীতি

দিনাজপুরের ১৩টি উপজেলায় ছয়টি সংসদীয় আসন রয়েছে। যার সবকটিতেই বর্তমান সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগের। তবে আগামী জাতীয় সংসদ

2023-04-16T20:39:34+00:00
2023-04-16T20:39:34+00:00
শনিবার ৮ আগস্ট ২০২৬ ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার ৮ আগস্ট ২০২৬
   
দিনাজপুরে ৬ আসনের ৫টিতেই দ্বন্দ্ব
রেমিনা আকতার, দিনাজপুর
প্রকাশ: রোববার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৩, ৮:৩৯ পিএম   (ভিজিট : ১০১৫)
X

দিনাজপুরের ১৩টি উপজেলায় ছয়টি সংসদীয় আসন রয়েছে। যার সবকটিতেই বর্তমান সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগের। তবে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আসনগুলোতে দলীয় মনোনয়ন নিয়ে দলটির নেতাকর্মীদের মধ্যে কোন্দল দেখা দিয়েছে। এরমধ্যে দিনাজপুর-১, ৪ ও ৬ আসনের সংসদ সদস্যদের দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে বিভক্তি দেখা দিয়েছে চরম আকারে। বাকি তিনটির মধ্যে আওয়ামী লীগ একটিতে রয়েছে ঐক্যবদ্ধ। অপর দুটি  আসনে দেখা দিয়েছে উপদলীয় কোন্দল। আর এটিকে সুযোগ হিসেবে কাজে লাগাতে চায় বিএনপি। তবে বিএনপির মধ্যেও আছে অনেক কোন্দল। এদিক দিয়ে ফুরফুরে মেজাজে রয়েছে জামায়াত। তাদের লক্ষ্য ছয়টির মধ্যে দুটি আসন নিজেদের দখলে নেওয়া। দিনাজপুরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে। এদিকে জাতীয় পার্টি জেলার সবকটি আসনেই প্রার্থী দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। 

দিনাজপুর-১ (বীরগঞ্জ ও কাহারোল) : জেলার বীরগঞ্জ ও কাহারোল উপজেলা নিয়ে গঠিত দিনাজপুর-১ আসন। এই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপাল। গোপাল এক সময় জাগপা ও জাতীয় পার্টির নেতা ছিলেন। ২০০৪ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে উপনির্বাচনে জয়লাভের পর আওয়ামী লীগে যোগ দেন তিনি। পরবর্তীতে ২০০৮, ২০১৪ এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে বিজয়ী হন। মূলত এই আসনে কোন্দল গোপালকে নিয়েই। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গোপালকে বহিরাগত ও বিএনপি-জামায়াতকে প্রশ্রয়দাতা হিসেবে আখ্যা দিয়ে আসছে বীরগঞ্জ ও কাহারোল উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। এই আসন থেকে গোপাল ছাড়াও মনোনয়ন পেতে আগ্রহী বীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাকারিয়া জাকা, বীরগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ও সাবেক এমপি আমিনুল ইসলাম, কাহারোল উপজেলা চেয়ারম্যান ও সাবেক এমপি আব্দুল মালেক সরকার, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা বরদা ভূষণ রায় লিটন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি আবু হুসাইন বিপু ও অ্যাড. হামিদুল ইসলাম। এই মনোনয়ন পাওয়াকে কেন্দ্র করে বেশ কয়েক বছর ধরেই কোন্দলে জড়িয়ে পড়েছে গোপাল, জাকারিয়া, আমিনুল ও বিপু এবং অন্যান্য মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সমর্থকরা। এখানে বিএনপির শক্ত প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মঞ্জুরুল ইসলাম মনজু। তবে, মনজু ব্যবসায়ী হওয়ায় বেশিরভাগ সময়ই ঢাকায় কিংবা দেশের বাইরে থাকেন। এই অজুহাতে এই আসনে মনোনয়ন পেতে চান  জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি খালেকুজ্জামান বাবু। তবে তার অবস্থান তেমন শক্ত নয়। সেদিক দিয়ে এই আসনে বিজয়ী হওয়ার মনোভাব নিয়ে প্রায় চুপিসারে কাজ করে যাচ্ছেন বীরগঞ্জ উপজেলা ছাত্র শিবিরের সভাপতি খোদা বখস্। এছাড়াও এই আসন থেকে প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান বীরগঞ্জ উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর ইসলাম। 

দিনাজপুর-২ (বোচাগঞ্জ ও বিরল) : জেলার বোচাগঞ্জ ও বিরল উপজেলা নিয়ে গঠিত দিনাজপুর-২ আসন। এই আসনের পর পর ৩ বার সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বর্তমান নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। এ আসনে একটি নতুন পৌরসভা ও দুটি নতুন ইউনিয়ন গঠন করার পাশাপাশি ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ডের কারণে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের নজর কেড়েছেন খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। এই আসন থেকে মনোনয়ন পেতে চান দলের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য সতীশ চন্দ্র রায়ের ছেলে ডা. মানবেন্দ্র রায়ও (মানব)। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদেরই মতে, এই আসনে বর্তমান সংসদ খালিদ মাহমুদ চৌধুরী ব্যাপক উন্নয়ন করেছে। তাই তিনি মনোনয়ন পাবেন এটা নিশ্চিত। এই আসনে বিএনপির রয়েছে একাধিক প্রার্থী। বোচাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক এবং জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. মোজাহারুল ইসলাম। এই আসনে বিএনপি নেতাকর্মীরা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে দলীয় কোন্দল প্রকাশ্যে রূপ নিয়েছে। তবে মাঠপর্যায়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন দলের মনোনয়নপ্রত্যাশী সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক। এছাড়াও জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ড. আনোয়ার চৌধুরী জীবন এবং বোচাগঞ্জ উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জুলফিকার হোসেন এই আসন থেকে নির্বাচন করতে আগ্রহী।

দিনাজপুর-৩ (সদর) : জেলার সদর উপজেলাকে নিয়ে গঠিত দিনাজপুর-৩ আসন। ১৯৯৬ সাল ও ২০০১-এ সদর এই আসনটি দখলে ছিল বিএনপির। ২০০৮ সালের নির্বাচনে ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমানে জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম-বিএনপি জামায়াত জোটকে পরাজিত করে বিজয়ী হন। তিনি এই আসনে পর পর ৩ বার সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। হুইপ ইকবালুর রহিমের নিজ নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক উন্নয়নমূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়াসহ তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে। তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীর জন্য মানবপল্লী, বৃদ্ধাশ্রম নির্মাণ ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় ইতিমধ্যে তিনি ওয়ার্ল্ড লিডারশিপ ফেডারেশন (ডাব্লিউএলএফ) কর্তৃক সোশ্যাল ইনোভেটর ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছেন। ২০০৮ সালে নির্বাচিত হয়ে প্রায় ১৫ বছর থাকলেও দলের সব নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ত করতে পারেননি।  জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ তাকে পাশ কাটিয়ে চলে। এই আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন পেতে চান জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মির্জা আশফাক হোসেন ও ফারুকুজ্জামান চৌধুরী মাইকেল। তেমন প্রচার না থাকলেও ইতোমধ্যেই দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে প্রত্যাশা করছেন তারা। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদেরই মতে, এই আসনে বর্তমান সংসদ ইকবালুর রহিম ব্যাপক উন্নয়ন করেছে। তাই তাকে মনোনয়ন দিলে ভালো হবে। তাছাড়া দলীয় মনোনয়ন যাকে দেওয়া হবে, দলের সবাই তার হয়েই কাজ করবেন। এদিকে, এই আসনে থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে আশা করছেন বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। আর তা না হলে মনোনয়ন চাইতে পারেন খালেদা জিয়ার বড় বোন প্রয়াত মন্ত্রী খুরশিদ জাহান হক-এর জ্যেষ্ঠ পুত্র শাহরিয়ার আকতার হক ডন, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. মোফাজ্জল হোসেন, দিনাজপুর পৌরসভার মেয়র ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. মোকারম হোসেন। তবে এ আসনে বিএনপির মধ্যে দলীয় কোন্দল রয়েছে ব্যাপক। শোনা যাচ্ছে জাতীয় পার্টি থেকে প্রার্থী হবেন জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক আহমেদ সফী রুবেল। 

দিনাজপুর-৪ (চিরিরবন্দর ও খানসামা) : চিরিরবন্দর ও খানসামা উপজেলা নিয়ে গঠিত দিনাজপুর-৪ আসনে আওয়ামী লীগের মধ্যে রয়েছে বিস্তর কোন্দল। আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তিনটি ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। এই আসনে পরপর ৩ বার নির্বাচিত হয়েছেন বর্তমান সাংসদ সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। এছাড়াও আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে চান সাবেক এমপি ও সাবেক হুইপ আলহাজ মিজানুর রহমান মানু ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ডা. এম আমজাদ হোসেন। ইতোমধ্যেই আমজাদ হোসেন এলাকায় ব্যানার-ফেস্টুন দিয়ে প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছেন। জেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলামও এই আসন থেকে মনোনয়ন পেতে চান। এই আসন থেকে মনোনয়ন পেতে চান ২০০১ সালে বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য আলহাজ আখতারুজ্জামান মিয়া। এদিকে জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও লুসাকা গ্রুপের চেয়ারম্যান শিল্পপতি হাফিজুর রহমান সরকার বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেতে চান। এছাড়াও এ আসনে প্রার্থী হবেন চিরিরবন্দর উপজেলা সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক জেলা জামায়াত-এর আমীর আফতাব উদ্দিন মোল্লা। এই আসনেও বিএনপিকে এবার ছাড় দিতে নারাজ জামায়াত। জাতীয় পার্টি থেকে প্রার্থী হতে চান মোনাজাত হোসেন ও সেকেন্দার আলী।

দিনাজপুর-৫ (পার্বতীপুর ও ফুলবাড়ী) : পার্বতীপুর ও ফুলবাড়ী উপজেলা নিয়ে গঠিত দিনাজপুর-৫ আসন। এই আসনে বিএনপি শক্ত অবস্থানে থাকলেও, আওয়ামী লীগের মধ্যে রয়েছে কোন্দল। এই আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য ও সাবেক প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার ১৯৮৬ সাল থেকে টানা ৭ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। টানা অষ্টম বারের মতো বিজয়ী হতে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার তার নির্বাচনী এলাকায় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সভা-সমাবেশসহ সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখেছেন। বরাবরের মতো এবারও আওয়ামী লীগের মনোনয়নের লড়াইয়ে শীর্ষে রয়েছেন তিনি। তবে মনোনয়নের আশায় সংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন দিনাজপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া জাকির, সাবেক ছাত্রনেতা ও ব আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক মাহমুদুন নবী চৌধুরী ও যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতা সাফেদ আহমেদ তুহিন। অপরদিকে বিএনপি থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের তালিকায় রয়েছেন দিনাজপুর জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য এ জেড এম রেজওয়ানুল হক ও সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব মনসুর আলী সরকার। এছাড়াও জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশী জেলা সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. দেলওয়ার হোসেন ও উপজেলা সভাপতি কাজী আব্দুল গফুর। 

দিনাজপুর-৬ (বিরামপুর-নবাবগঞ্জ-ঘোড়াঘাট-হাকিমপুর) : বিরামপুর, নবাবগঞ্জ, ঘোড়াঘাট ও হাকিমপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত দিনাজপুর-৬ আসন। আগামী নির্বাচনকে ঘিরে এই আসনে ছোট ছোট গ্রুপে বিভক্ত দলের নেতাকর্মীরা। গ্রুপগুলোর নেতৃত্ব দিচ্ছেন বর্তমান সংসদ সদস্য শিবলী সাদিক, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলতাফুজ্জামান মিতা, নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান ও সাবেক সংসদ সদস্য ড. আজিজুল হক চৌধুরী। নানা ইস্যুতে এই আসনে ছোট ছোট গ্রুপে বিভক্ত হয়ে পড়েছে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। দলের তৃণমূল নেতা-কর্মীদের প্রত্যাশা বর্তমান এমপি শিবলী সাদিক মনোনয়ন পাবেন এটা নিশ্চিত। ক্ষমতাসীন দলের বিভক্তি পুঁজি করে আসনটি নিজেদের দখলে নিতে চায় বিএনপি। তবে স্থানীয় বিএনপি এ আসনে জামাতকে কোন ছাড় দিতে নারাজ। এই আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশী বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. হাসানুজ্জামান উজ্জ্বল, বিএনপির পাশাপাশি জোটগতভাবে এখানে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান জেলা জামায়াতের আমির আনোয়ারুল ইসলাম। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. দেলওয়ার হোসেন। 

বাবু/জেএম




  বিষয়:   দিনাজপুর 



Loading...
Loading...


রাজনীতি এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy