প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৯ মে, ২০২৩, ৭:৩০ এএম (ভিজিট : ১৩৭)

X
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বামী বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ (৯ মে)। ১৯৪২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার লালদিঘীর ফতেহপুর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের অধিকারী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া ২০০৯ সালের ৯ মে মারা যান।
তার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে তার জন্মস্থান পীরগঞ্জ উপজেলার লালদিঘী ফতেহপুর গ্রামে উপজেলা প্রশাসন, পরিবার, উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনগুলো ছাড়াও ড. ওয়াজেদ স্মৃতি সংসদ (ডিডব্লিউএসএস), ড. ওয়াজেদ ফাউন্ডেশন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে স্মৃতিচারণ, ফাতেহা পাঠ, কবর জিয়ারত, মিলাদ মাহফিল ও গরীবদের মধ্যে খাবার বিতরণসহ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়াও ড. ওয়াজেদ মিয়ার কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ ও জিয়ারত করাসহ সুবিধাজনক সময়ে বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে দোয়া ও মোনাজাত করা হবে।
প্রয়াত পরমাণু বিজ্ঞানীর ভাতিজা, পীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পীরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আবু সালেহ মো. তাজিমুল ইসলাম শামীম জানান, মঙ্গলবার সকালে ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণের মাধ্যমে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। এছাড়া ড. ওয়াজেদ স্মৃতি পরিষদ, রংপুর জেলা, মহানগর ও পীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ বিভিন্ন সংগঠন থেকেও নানা কর্মসূচি রয়েছে।
সকাল দশটায় ড. ওয়াজেদ মিয়ার কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ ও কবর জিয়ারত করবেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্যসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে দিবসটি উপলক্ষ্যে আলোচনা অনুষ্ঠান ও দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে। একই দিনে বিকেলে রংপুর কারামতিয়া জামে মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেছে জেলা আওয়ামী লীগ যুবলীগ।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জামাতা ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি তার কর্মজীবনে মেধা, মনন ও সৃজনশীলতা দিয়ে দেশ, জাতি ও জনগণের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন। পিতা মরহুম আব্দুল কাদের মিয়া ও মাতা মরহুমা ময়জুন নেসার চার ছেলে ও তিন মেয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট।
বাবু/জেএম