
X
ক্ষমতাসীনদের উদ্দেশে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, কোনোদিকে পথ নেই, উত্তরে উচ্চাঙ্গ পর্বতমালা আর দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, কোনোদিকে ওদের যাওয়ার আর পথ নেই। আর কোনো সময় নাই। মানে মানে এখনই পদত্যাগ করো। নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দাও, সংসদ বিলুপ্ত করো, নতুন নির্বাচন কমিশন করে সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা করো।
আজ শুক্রবার (১৮ আগস্ট) বিকেলে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির গণমিছিল পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, কিছু নাই, দেশটাকে ফোকলা বানিয়েছে সরকার। এখন আবার আরেকটা নতুন কায়দা বের করেছে- পেনশন স্কিম। টাকা চুরির আরেকটা নতুন ফন্দি।
কিন্তু মানুষ এবার তা হতে দেবে না। ফখরুল বলেন, ভয়ে সরকারের মুখ শুকিয়ে গিয়েছে। টেলিভিশনে দেখবেন, এখন মুখে হাসি নাই। চকচকা কাপড় কম পরেন।
যারা-যারা বিদেশে বাড়ি-ঘর তৈরি করেছিল সেটা কিভাবে রক্ষা করবে সেই চিন্তায় আছে। আজকে সারা দেশে এমন একটা অবস্থা তৈরি হয়েছে, দেখে মনে হবে সারাদেশটা একটা কারাগার।
তিনি বলেন, সারাদেশ আওয়ামী লীগ কারাগারে পরিণত করেছে। কেন আটক করে? বলেন তো, ভয়ে। ভয়ে আওয়ামী লীগের মুখ শুকিয়ে গেছে।
শেখ হাসিনার এখন নতুন নতুন কাপড় পরা বন্ধ করে দিয়েছে। তারা যে টাকা পাচার করেছে তা নিয়ে চিন্তায় আছে। অবস্থা এখন আরও খারাপ। মার্কিন থেকে বাংলাদেশকে নিয়ে শুনানির দাবি করছে সে দেশের সংস্থাগুলো।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস সালামের সভাপতিত্ব এবং ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিনের সঞ্চালনায় সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য দেন।
দয়াগঞ্জ থেকে গণমিছিল শুরু হওয়ার আগে একটি সমাবেশ হয়। এতে মির্জা ফখরুলসহ বিএনপি নেতারা বক্তব্য দেন। মিছিলটি সায়দাবাদ ব্রিজ, ধলপুর কমিউনিটি সেন্টার, গোলাপবাগ, কমলাপুর, বাসাবো বৌদ্ধমন্দির হয়ে খিলগাঁও এসে শেষ হবে বলে জানা গেছে।
জুমার নামাজের পর থেকে বিএনপির নেতাকর্মী-সমর্থকরা গণমিছিলে যোগ দিতে আসতে শুরু করে। দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন ইউনিটের সদস্যরাও ব্যানারসহ খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে এসে মিছিলে যোগ দেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীবাহিনী মিছিল কেন্দ্র করে সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।
বাবু/এ.এস