প্রকাশ: রোববার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৪, ৯:১৯ পিএম (ভিজিট : ৩১৭)

X
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ মঈন উদ্দিন মঈন।
রোববার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত টানা ভোট গ্রহণের পর রাতে দুই উপজেলার সহকারী রিটার্নিং অফিসার এই ফলাফল ঘোষণা করেন।ঘোষিত ফলাফলে মঈন উদ্দিন মঈন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ২৮ হাজার ৬৬৬ বেশি ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন।
স্বতন্ত্র প্রার্থী মঈন উদ্দিন মঈন কলার ছড়ি প্রতীক নিয়ে ৮৪ হাজার ৬৭ ভোট পেয়েছেন তিনি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী জিয়াউল হক মৃধা পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৪০১ ভোট। এ ছাড়াও তৃণমূল বিএনপির মাইনুল হাসান ( সোনালি আশঁ পাট) পেয়েছেন ৪ হাজার ৩১৭ ভোট। লাঙ্গল প্রতীকে অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূঞা ৩ হাজার ৪০৮ ভোট পেয়েছেন। ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মো. আবুল হাসানাত আমিনী (মিনার) ৯শত ৯৪ ভোট পেয়েছেন। বাংলাদেশ তরীকত ফেডারেশনের ছৈয়দ জাফরুল কদ্দুছ ( মালা) পেয়েছেন ৫২৬ ভোট এবং আম প্রতীকে পিপলস পার্টির আব্দুর রাজ্জাক পেয়েছেন ৩৭৯ ভোট।
সারা দিন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করা হলেও কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের তেমন জটলা ছিল না। সকাল ৮টায় এ ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল ৪টা শেষ হয়। আসনটিতে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ১০ হাজার ৭২ ও ভোটকেন্দ্র ১৩২টি।
এ আসনে উপনির্বাচনে সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- স্বতন্ত্র প্রার্থী কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মঈন উদ্দিন (কলার ছড়ি), জাতীয় পার্টির প্রার্থী দলটির অতিরিক্ত মহাসচিব ও প্রেসিডিয়াম সদস্য রেজাউল ইসলাম ভূঞা (লাঙ্গল) , তার শ্বশুর জাপার দুবারের সাবেক সংসদ সদস্য ও জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির (রওশন) সহসভাপতি জিয়াউল হক মৃধা (ঈগল প্রতীক), সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত মুফতি ফজলুল হক আমিনীর ছেলে ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মো. আবুল হাসানাত আমিনী (মিনার) ও বিএনপির দলছুট সদ্য সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত উকিল আবদুস সাত্তার ভূঁইয়ার ছেলে তৃণমূল বিএনপির মাইনুল হাসান ( সোনালি আশঁ পাট) , বাংলাদেশ তরীকত ফেডারেশনের ছৈয়দ জাফরুল কদ্দুছ ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির রাজ্জাক হোসেন।