প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ৭:৪৫ পিএম (ভিজিট : ১৫১)

X
তময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন নিবার্চনে মেয়র পদে সাতজনের মধ্যে একজনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। লড়াইয়ে টিকে রইলেন ছয়জন। মনোনয়নপত্র যাছাই-বাচাইয়ের দিনে বৃহস্পতিবার স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম ফেরদৌসের ৩০০ জন ভোটারের সমর্থনসূচক তালিকায় গড়মিল থাকায় তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
এছাড়া মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে সদ্য সাবেক সিটি মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. ইকরামুল হক টিটু, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব এহতেশামূল আলম, শহর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট সাদেক খান মিল্কি টজু, নগর আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য অ্যাডভোকেট ফারমার্জ আল নূর রাজীব, কেন্দ্রীয় কৃষকলীগের সাবেক সদস্য কৃষিবিদ ড.মো.রেজাউল হক এবং জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম স্বপন মন্ডলের।
এছাড়া সাধারণ ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৩৬ জনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। তবে তারা আগামী শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত এই তিনদিন বিভাগীয় কমিশনার বরাবর আপিল করার সুযোগ পাবেন।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে নগরীর টাউন হল তারেক স্মৃতি অডিটরিয়ামে মনোনয়নপত্র যাচাইবাছাই শুরু হয়ে চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত।
ময়মনসিংহ অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসার ও সহকারি রিটার্নিং অফিসার শেখ মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান বলেন, মেয়র পদে একজনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। ছয়জনের মনোনয়ন বৈধ হয়েছে। এছাড়া সাধারণ ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৩৬ জনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে।
তবে তারা আগামী শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত এই তিনদিন বিভাগীয় কমিশনার বরাবর আপিল করার সুযোগ পাবেন।
আগামী ৯ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন নিবার্চনের ভোট গ্রহণ। এতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে মেয়র পদে সাতজন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৬৪জন এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৬৯জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন।
আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারী প্রতীক বরাদ্দের পর আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু হবে প্রচারণা। ১৫৭ বছরের পুরনো ময়মনসিংহ পৌরসভা ২০১৮ সালের ১৪ অক্টোবর সিটি করপোরেশনে উন্নীত হলে ২০১৯ সালের ৫ মে প্রথম সিটির ভোট গ্রহণ হয়। তখন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ইকরামুল হক টিটু মেয়র নির্বাচিত হলে সাধারণ কাউন্সিলর এবং সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
৯১ দশমিক ৩১৫ বর্গকিলোমিটারের আয়তনের এই নগরীতে ৩৩টি সাধারণ ওয়ার্ড ও ১১টি সংরক্ষিত ওয়ার্ড রয়েছে। মোট ভোটার ৩ লাখ ৩৬ হাজার ৪৯৬জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৬৩ হাজার ৮৭২ জন, নারী ১ লাখ ৭২ হাজার ৬১৫জন এবং হিজড়া ৯ জন।
আগামী ৯ মার্চ দ্বিতীয় বারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ভোটে দলীয় প্রতীক না থাকায় একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ পাচ্ছেন। নগরীকে তিলোত্তমা শহর হিসেবে গড়ে তুলতে নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা।