প্রকাশ: শনিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ৪:১৩ পিএম (ভিজিট : ১৫৩)

X
বরগুনার তালতলীতে আন্দারমানিক নদীর তীর থেকে অবৈধভাবে মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রির দায়ে এক জনকে ২ মাস ও ২ জনকে ১৫ দিন করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
শনিবার(১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২ টার দিকে উপজেলার শারিকখালী ইউনিয়নের আঙ্গারপাড়া এলাকায় আন্দারমানিক নদীর তীরে এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নিবার্হী অফিসার সিফাত আনোয়ার তুমপা।এ সময় নিপেন রায় (৩৫)কে দুই মাস, মো.মহিউদ্দিন(২১) ও খোরশেদ(১৯)কে ১৫ দিন করে কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে।
জানা যায়, তালতলী উপজেলার শারিকখালী ইউনিয়নের আঙ্গারপাড়া এলাকার আন্দারমানিক নদীর তীর পার্শ্ববর্তী পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার যমুনা ব্রিকসের কাছে প্রতিকাঠা ৩ হাজার টাকা করে বিক্রি করেন স্থানীয় সুজন নদীর তীর কাটার ফলে গ্রাম রক্ষা বাঁধটি হুমকির মুখে পড়ার শঙ্কায় ঐ এলাকার পরিমল রায় নামের এক ব্যক্তি চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগ দিলেও মাটি কাটা ফেরানো যায়নি।
পরে শনিবার সকালে স্থানীয়রা মাটি কাটায় বাধা দিয়ে উপজেলা নিবার্হী অফিসারকে খবর দেয়। খবর পেয়ে ঐ এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাটি কাটা অবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে তিন জনকে আটক করে বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন-২০১০ এর ৪(গ) ধারায় বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয় উপজেলা নিবার্হী অফিসার সিফাত আনোয়ার তুমপা।এ সময় একটি মাটিকাটা ভেকু মেশিন ও মাটি পরিবহনের একটি টার্মিনাল জব্দ করে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক খানের কাছে জিম্মায় রাখা হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ প্রায় এক বছর ধরে ওই এলাকার একটি চক্র আন্দারমানিক নদীর তীর কেটে ইটভাটায় বিক্রি করে আসছিল। এতে বগীর বাধ থেকে আঙ্গারপাড়া পর্যন্ত গ্রাম রক্ষা বাঁধটি হুমকির মুখে পড়েছে।
যমুনা ব্রিকস এর ম্যানেজার আবুল বাশার বলেন, আমরা নদীর তীরের মাটি ক্রয় করেছি। সেই মাটি ভেকু মেশিন দিয়ে কেটে নিয়ে আসতেছি। নদীর তীরের মাটি ক্রয় কিভাবে করা হলো জানতে চাইলে ফোনের লাইন কেটে দেয়।
উপজেলা নিবার্হী অফিসার সিফাত আনোয়ার তুমপা বলেন,আন্দারমানিক নদীর তীর কেটে মাটি বিক্রী করার অপরাধে তিন জনকে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মাটি কাটার ভেকু মেশিন ও টার্মিনাল জব্দ করা হয়েছে।