প্রকাশ: বুধবার, ১৩ মার্চ, ২০২৪, ৪:১১ পিএম (ভিজিট : ১৭৬)

X
পবিত্র রমজানে কুষ্টিয়ায় পিয়াজের দাম কিছুটা কমলেও সবজি ও মাছ-মাংসের দাম কমেনি। এ ব্যাপারে ক্রেতা সাধারণ দুষছে দুর্বল বাজার মনিটরিং ব্যবস্থাকে।
বুধবার সকালে কুষ্টিয়া পৌরবাজার ঘুরে দেখা গেছে প্রতি কেজি পিয়াজ ৭০ টাকা, গত সপ্তাহে পিয়াজ বিক্রি হয়েছে ১২০ টাকায়। বর্তমান আলু প্রতিকেজি ৩০ টাকা, টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকা কেজি, শিম বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা, গোল বেগুন ৮০-১০০ টাকা, লম্বা বেগুন ৬০ টাকা, ফুলকপি প্রতি পিস ৫০ টাকা, বাঁধাকপি ৪০ টাকা, করোলা ১০০ টাকা, গাঁজর প্রতি কেজি ৫০ টাকা, চালকুমড়ার পিস ৫০ টাকা, প্রতি পিস লাউ আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৭০ টাকায়, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, কচুর লতি ৬০ টাকা, মুলা ৩০ টাকা, শালগম ৪০ টাকা, শশা ১০০ টাকা, ঢেঁড়স বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা, ও পেঁপের কেজি ৪০ টাকা। কাচাঁ মরিচ প্রতিকেজি ৬০ টাকা । এ ছাড়া বাজারে চায়না রসুন প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকায়। দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা কেজি। দেশি আদার কেজি ২০০ টাকা। চায়না আদার দাম কমে বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা।
ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকা। গত সপ্তাহে ব্রয়লার মুরগির কেজি ছিল ১৯০ থেকে ১৮০ টাকা। ১০ টাকা দাম বেড়ে সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকায়। গত সপ্তাহে সোনালি মুরগির কেজি ছিল ২৭০ টাকা। লেয়ার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৪০ টাকা। ডিম খাচি (৩০টা) বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩১০ টাকায়। খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ টাকা কেজি আর খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১০০০ টাকা থেকে ১১০০ টাকা কেজি।
বাজার মনিটরিং এর ব্যবস্থা দুর্বল হওয়ায় ভোক্তারা আশংকা করছে চলতি রমজানে সব পণ্য ও খাদ্য সামগ্রীর দাম আরো বৃদ্ধি পেতে পারে। বাজার করতে আসা জহুরুল বলেন, নিম্ন্ন আয়ের মানুষ যে কত কষ্টে আছে তা বলে বোঝানো যাবেনা। মাসিক আয়ের টাকায় ১৫ দিনও চলে না। এ অবস্থায় বেঁচে থাকাটায় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সবজি ক্রেতা আব্দুর ফজলু বলেন, রমজানের শুরুতেই পিয়াজের দাম অনেকটা নেমে এসেছে এটায় স্বস্তি। তা ছাড়া সব তরিতরকারির দাম এখনো নাগালের বাইরে। প্রতিদিনই বাজারে আসি কিন্তু বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা আমার চোখে পড়েনি। সব ধরণের সবজি সরবরাহ থাকলেও কেন যে দাম কমছে না তা বিক্রিতারাও সঠিক ভাবে বলতে পারছে না। সরকার এ ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না কেন তা বুঝতে পারছিনা।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কুষ্টিয়ার সহকারী পরিচালক সুচন্দন মন্ডল বলেন, নিত্যপণ্যের দাম নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে। কিন্তু সমস্যা হলো ভোক্তারা সচেতন না হওয়ায় আমরা সঠিক ভাবে পদক্ষেপ নিতে পারিনা। কে বা কারা নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি করছে সে তথ্য ক্রেতা সাধারণ যদি আমাদের দেয় তা হলে আইননানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা সুবিধা হয়। তারপরও আমরা প্রতি সপ্তাহে বাজার মনিটরিং করে যাচ্ছি। চলতি রমজানে কেউ বেঁেধ দেয়া দামের বাইরে নিত্যপণ্য বিক্রি করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।