প্রকাশ: রোববার, ২৪ মার্চ, ২০২৪, ৪:০১ পিএম (ভিজিট : ২৮৮)

X
আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গী বাজার এলাকায় মহাসড়ক দখল করে গড়ে উঠেছে কয়েকশত অস্থায়ী দোকান।
এতে প্রতিনিয়ত সৃষ্টি হচ্ছে যানজট, ভোগান্তিতে পরছে এই মহাসড়কে চলাচলকারী পরিবহন। নাজেহাল হচ্ছেন সাধারণ পথচারী ও যাত্রীরা। এসব দেখেও নির্বিকার স্থানীয় প্রশাসন ও ট্রাফিক বিভাগ।
অভিযোগ আছে স্থানীয় প্রশাসন ও ট্রাফিক বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তাকে উপঢৌকন দিয়ে ফুটপাত বানিজ্য করছে একটি প্রভাবশালী চক্র। সড়ক ও জনপদ বিভাগের কয়েকজন অসাধু কর্মচারী এই সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত রয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
সরেজমিনে ঘুরে জানা যায়, ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গী বাজার অংশের পূর্ব পাশে বাসস্ট্যান্ড থেকে তুরাগ নদীর পার পর্যন্ত মহাসড়ক দখল করে গড়ে উঠেছে প্রায় পাঁচ শতাধিক অস্থায়ী দোকান। এসব দোকান বসিয়ে ভাড়া ও অগ্রীম বাবদ মোটা অংকের চাঁদা সংগ্রহ করেছে একটি চাঁদাবাজ চক্র। এছাড়া অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ও সিটি করপোরেশনের খাজনার নামেও তোলা হচ্ছে টাকা। যদিও সিটি করপোরেশনের দাবী বাজার ইজারা দেওয়া হলেও তার আওতাভুক্ত নয় এই সব ফুটপাত। বিভিন্ন সময় স্থানীয় প্রশাসন ফুটপাত উচ্ছেদে অভিযান করলেও কার্যত কোন ভাবেই বন্ধ হচ্ছেনা ফুটপাত দখল বানিজ্য।
এসব দোকান থেকে স্থান ভেদে ১০ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত অগ্রীম আদায় করেছে চাঁদাবাজ চক্র। এর বাইরে প্রতিদিন দোকান ভাড়া বাবদ নেওয়া হচ্ছে ২০০ থেকে ৫০০ টাকা। বিদ্যুৎ বিল, সিটি করপোরেশনের খাজনা, ময়লা পরিস্কার বাবদ তোলা হচ্ছে চাঁদা। মহাসড়কে চাঁদাবাজির এই মহোৎসব দেখেও প্রভাবশালী মহলের ভয়ে প্রতিবাদ করার সাহস পায় না সাধারণ ব্যবসায়ীরা।
স্থানীয়দের প্রশ্ন কাদের জন্য মহাসড়ক নির্মাণ করা হয়েছে কারা এটা ব্যবহার করছে এসব দেখার কেউ নেই। ফুটপাত ও সার্ভিস লেন দখলে নেওয়া ওই ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে বরং সুবিধা নিচ্ছে পুলিশ প্রশাসন এমন অভিযোগ করছেন অনেকেই।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যবসায়ী বলেন, কোটি টাকা বিনিয়োগ করে মার্কেটে ব্যবসা করতে বসেছিলাম। ফুটপাতে মার্কেট হওয়ায় ক্রেতারা ভিতরে আসে না।
টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, উর্ধতন কর্মকর্তার সাথে আলোচনা করে অভিযান পরিচালনা করা হবে। মহাসড়ক ও ফুটপাত সম্পূর্ণ দখল মুক্ত থাকবে।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের উপ পুলিশ কমিশনার আলমগীর হোসাইন বলেন, মহাসড়ক ফুটপাত মুক্ত রাখতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।