প্রকাশ: সোমবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৪, ৩:২১ পিএম (ভিজিট : ১৯৭)

X
খুলনা কৃষি অঞ্চলে ৪জেলায় আউশ ধানে প্রণোদনা পাচ্ছেন ১৭হাজার ৬০০ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক।
২০২৩-২৪ অর্থ বছরে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় খরিপ ২০২৪-২৫ মৌসুমে উফশী ফসলের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষে বিনা মূল্যে প্রত্যেক কৃষক প্রতি বিঘা জমির জন্য ৫কেজি বীজ, ডিএপি ও এমওপি ১০ কেজি করে ২০কেজি সার পাচ্ছেন। কৃষকদের জন্য ১২০.১২০০০ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। কৃষকদের নগদ টাকার পরিবর্তে বীজ ও সার দেয়া হয়েছে।
সূত্র জানিয়েছেন, প্রণোদনার এসব আউশ বীজ দিয়ে কৃষক জেলায় আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধি করবেন। উপজেলা পর্যায়ে বীজ ও সার প্রণোদনা কমিটি রয়েছে। কমিটির নির্দেশ মোতাবেক কৃষকের তালিকা করা হয়। তালিকা অনুযায়ী কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়। ইতোমধ্যে বিতরণের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
এ কর্মসূচির আওতায় খুলনা জেলায় ২৬০০ জন কৃষককে প্রণোদনা হিসেবে ১৭,৭৪৫০০টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। টাকার পরিবর্তে পাচ্ছেন ১৩হাজার কেজি বীজ ও জন প্রতি ২০ কেজি সার। বাগেরহাট জেলায় ৪০০ কৃষককে প্রণোদনা হিসেবে ২৭,৩০০০০টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। টাকার পরিবর্তে পাচ্ছেন ২হাজার কেজি বীজ ও জন প্রতি ২০ কেজি সার। সাতক্ষীরা জেলায় ৫৪হাজার কৃষককে প্রণোদনা হিসেবে ৩৬,৮৫৫০০টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। টাকার পরিবর্তে পাচ্ছেন ২৭০০০ কেজি বীজ ও জন প্রতি ২০কেজি সার এবং নড়াইল জেলায় ৫৬০০ কৃষককে প্রণোদনা হিসেবে ৩৮,২২০০০টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। টাকার পরিবর্তে পাচ্ছেন ২৮০০০ কেজি বীজ ও জন প্রতি ২০কেজি সার।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের খুলনা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মোহন কুমার ঘোষ বলেন, আউশ ধানের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। টাকার পরিবর্তে কৃষকদের বীজ ও সার দেয়া হচ্ছে। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে এই বীজ ও সার বিতরণ করা হয়। আউশ আবাদ আগের চেয়ে অনেক কমে গেছে। তার পরিবর্তে বোরো আবাদ হচ্ছে। তবে বৃষ্টি না থাকার কারণে বীজতলা তৈরীতে একটু সমস্যা হচ্ছে।