পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শিকার অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যু

কুয়াকাটা প্রতিনিধি

সারাবাংলা

পটুয়াখালীর মহিপুরে পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শিকার অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য ও পরিবার

2024-04-23T14:19:51+00:00
2024-04-23T14:19:51+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শিকার অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যু
কুয়াকাটা প্রতিনিধি
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৪, ২:১৯ পিএম   (ভিজিট : ১৫৬)
X

পটুয়াখালীর মহিপুরে পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শিকার অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে।

পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শিকের অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন পটুয়াখালী জেলা সিভিল সার্জন।

ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়- উপজেলার মহিপুর থানার ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের মিরপুর গ্রামের শাহআলমের মেয়ে শারমিন বেগমের গত ২১ এপ্রিল (রবিবার) রাতে সন্তান প্রসব বেদনা শুরু হলে পরিবারের লোকজন ওই প্রসূতিকে তাৎক্ষনিক নিকটস্থ মহিপুর কেয়ার মডেল হাসপাতালে নিয়ে যায়।

সেখানে গাইনী বিভাগে ডাঃ ফারহানা রহমান সুমী'র স্বরণাপন্ন হন, তিনি রোগীকে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে তার ও তার গর্ভের সন্তানের অবস্থা সংকটপন্ন দেখে তাকে কলাপাড়া উপজেলা কমপ্লেক্সে রেফার করেন, এবং সেখানে ভর্তি থেকে রোগীকে সিজারের পরামর্শ দেন।

স্বজন সূত্রে আরও জানা যায়, পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শিকা নূরজাহান বেগম  প্রসূতি শারমিনের বাচ্চা নরমালে প্রসবের কথা বলে ৫ হাজার দর কষলে পরে ৩ হাজার টাকায় রাজি হন। দীর্ঘ ৫ ঘন্টা নরমালে বাচ্চা প্রসবের চেষ্টা করে সে ব্যর্থ হলে প্রসূতির পরিবারের লোকজন প্রসূতিকে সিজারে নিতে চাইলে তিনি প্রসূতি নরমাল ভেলিভারীর জন্য শারমিনকে মারধর করেন বলে ভুক্তভোগীর পরিবারে অভিযোগ রয়েছে। 

পরবর্তীতে রাত ১২ টার দিকে তাহার ভুল ও অনভিজ্ঞ প্রচেষ্টার কারণে একটি মৃত্যু মেয়ে সন্তান প্রসব হয়। অতিরিক্ত রক্ত ক্ষরণের ফলে প্রসূতি এখন মৃত্যু পথযাত্রী। স্হানীয় সূত্রে জানা যায়, পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শিকা নূরজাহান বেগম একই স্থানে দীর্ঘ ২৮ বছর থেকে বীরত্বের আরও বহু এরকম ঘটনা ঘটিয়েছেন। এবিষয়ে পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শকা নুরজাহান বলেন, গর্ভ থেকে মৃত বাচ্চা প্রসব হয়েছে।

প্রত্যেকটা প্রসবই আমি একটি ফি নিয়ে থাকি। সেই অনুপাতে তাদের সাথে তিন হাজার টাকা চুক্তিতে কাজ করেছি। ডাক্তার ফারজানা রহমান সুমি বলেন, গতকাল বিকেলে রোগী আমার কাছে আসলে আমি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ক্রিটিকাল মোমেন্ট দেখতে পাই। আমি তাদের কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়ে সিজারের পরামর্শ দিয়েছি।ফ্যামিলি প্লানিং মেডিকেল অফিসার মোঃ মেহেদী হাসান রনি বলেন, রোগী অবস্থা  ক্রিটিকাল হলে সে আমাদের অবগত করবে, সে যেটা করেছে এটা চরম অপরাধ, বিষয়টি খতিয়ে দেখে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।





Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy