কোরবান আলী হত্যা : ৯৯৯ এ কল নাকি অন্যকিছু?

কামরুজ্জামান রনি, চট্টগ্রাম

সারাবাংলা

চট্টগ্রাম নগরীর আকবর শাহ থানাধীন পশ্চিম ফিরোজশাহ এলাকায় ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে বাবার নিহত হওয়ার ঘটনা দেশ জুড়ে ব্যাপক

2024-05-07T21:23:20+00:00
2024-05-07T21:23:20+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
কোরবান আলী হত্যা : ৯৯৯ এ কল নাকি অন্যকিছু?
কামরুজ্জামান রনি, চট্টগ্রাম
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৭ মে, ২০২৪, ৯:২৩ পিএম   (ভিজিট : ৫৮১৬)
X

চট্টগ্রাম নগরীর আকবর শাহ থানাধীন পশ্চিম ফিরোজশাহ এলাকায় ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে বাবার নিহত হওয়ার ঘটনা দেশ জুড়ে ব্যাপক আলোচিত হয়েছে। অভিযোগ করা হচ্ছে ৯৯৯ এ কল দেয়ায় কিশোর গ্যাংয়ের হামলার শিকার হয় দন্তচিকিৎসক কোরবান আলীর ছোট ছেলে  আলী রেজা। আর সেই হামলা থেকে ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে হত্যার শিকার হয়ে যায় কোরবান আলী। এই ঘটনার পর বিভিন্ন গণমাধ্যমে পশ্চিম ফিরোজ শাহ এলাকায় একটি টর্চার সেল ও একাধিক কিশোর গ্যাং এর বিষয় উঠে আসে। তবে সরেজমিন ঘুরে স্থানীয় বাসিন্দা ও কথিত টর্চার সেল হিসেবে দেখানো নির্মানাধীন ভবনটির সাথে সংশ্লিষ্ট সবাই টর্চার সেলের বিষয়টিকে মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে উল্লেখ করেছে। স্থানীয় থানা পুলিশও বলছে সেখানে কখনো কোথাও কোন টর্চার সেলের অস্তিত্ব ছিলো না।  আজ অব্দি কেউ কখনো সেই ভবনে নির্যাতিত হয়েছে তেমন কোন অভিযোগ থানায় হয়নি।

কোরবার আলী হত্যার যে সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য ভিডিও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রচার হয়েছে সেগুলোর মধ্যে কোন এক ভবনের ওপর থেকে মোবাইলে ধারণ করা ভিডিওটি গত ৫ এপ্রিল তারিখের নয় বলে মামলার বাদিও স্বিকার করেছেন। আর মারামারির এক পর্যায়ে কোরবান আলীর মাটিতে পড়ে যাওয়া সিসিটিভি ফুটেজটি পর্যালোচনা করার পর মিলেছে চাঞ্চল্যকর বেশ কিছু তথ্য। সেসব তথ্য বলছে শুধুমাত্র ৯৯৯ এ কল দেওয়া নিয়ে নয় পুরো ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে আরো কয়েকটি ঘটনা। আর এই হত্যা মামলাকে পুঁজি করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারে মেতেছে একাধিক পক্ষ। 

ফ্ল্যাশব্যাক ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ : নিহত কোরবান আলীর ছেলে আলী রেজা বলছে, এক স্কুল ছাত্রকে কিশোর গ্যাং এর হাত থেকে উদ্ধার করতে ৯৯৯ এ কল দেয়াকে কেন্দ্র করেই বিরোধের সূত্রপাত৷ তবে স্থানীয় থানা পুলিশ বলছে ৯৯৯ এ কল দিয়ে মোঃ মাহের খান নামের যে যুবককে ধরিয়ে দেয়া হয়েছিল পুলিশের তদন্তে তার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় সেদিনই তাকে ছেড়ে দেয়া হয়৷ কথিত সেই নির্যাতিত স্কুল ছাত্র বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোন অভিযোগ পর্যন্ত করা হয়নি৷ খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, যার জন্য আলী রেজা ৯৯৯ এ কল করেছিল সেই ছেলেটি তারই বিল্ডিং এ বসবাস করে৷ স্থানীয়দের মতে সেই ছেলেটি সহ আশাপাশের এলাকায় এমন বেশ কিছু কিশোরের বড় ভাইয়ের ভূমিকায় থাকেন আলী রেজা প্রকাশ রানা। আর নিজের প্রতিপক্ষ গ্রুপকে ঘায়েল করতেই মূলত ৯৯৯ এ কল দিয়ে মাহের খানকে পুলিশ ধরিয়ে দেন রানা৷ তবে ঘটনার কোন সত্যতা না পাওয়ায় থানা থেকেই মাহের খানকে ছেড়ে দেয় পুলিশ৷ 

কে এই রানা ? : বিভিন্ন গণমাধ্যমে একজন সাধারণ পরিবারের বাইতুশ শরফ মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্র হিসেবে পরিচয় উঠে আসে আলী রেজা রানা'র৷ তবে অনুসন্ধানে জানা গেছে একেবারে নিছক সাধারণ শিক্ষার্থী নন রানা৷ চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের প্যাডে গত ২০২১ সালের ১৫  ফেব্রুয়ারি তারিখে সহ-সভাপতি মিথুন মল্লিক ও যুগ্ম-সম্পাদক ওয়াহেদ রাসেল সাক্ষরিত বাইতুশ শরফ মাদ্রাসা ছাত্রলীগের আংশিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলী রেজা রানা। জানা গেছে রানা আকবর শাহ থানা এলাকায় তার নিজের একটি গ্রুপের নেতৃত্ব দেয়। রানার নেতৃত্বে রাতের আঁধারে "রানা ভাই, রানা ভাই" শ্লোগান দিয়ে একদল কিশোরের মিছিল করার ফুটেজ এসেছে প্রতিবেদকের হাতে৷ সেই ফুটেজের সত্যতা স্বিকারও করেছেন রানা৷ তার দাবী পার্শ্ববর্তী জোলাপড়া এলাকায় একটি সংবর্ধনাতে যাওয়ার সময়ের মিছিল এটি৷  জানা গেছে নগর ছাত্রলীগের একটি গ্রুপের হয়ে এলাকায় একটি উপগ্রুপের নেতৃত্ব দিচ্ছে রানা নিজেই৷ স্থানীয়রা বলছে কোরবান আলী সাহেব একজন ভালো মানুষ ছিলেন৷ তাঁর সাথে কখনোই কারো বিবাদ ঘটেনি। কিন্তু তার ছেলে রানা ছাত্রলীগের ব্যানারে একটি কিশোর গ্রুপকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছিল। 

টর্চার সেল : কোরবান আলী হত্যার পর হঠাৎ করেই পশ্চিম ফিরোজ শাহ এলাকায় নির্মানাধীন একটি ভবনে আবিষ্কৃত হয় টর্চার সেল। প্রতিবেদক সরেজমিন সেই নির্মানাধীন প্রকল্পের সাব কন্ট্রাকটার শহীদ বাংলাদেশ বুলেটিনকে বলেন, আমি এখানে ৭ বছর যাবৎ কাজ করছি৷ এই ভবনে কোন টর্চার সেল আছে বলে কখনো শুনি নাই৷ স্থানীয় বাসিন্দা ও পেশায় আইনজীবি সজল বলেন, আমি এই এলাকাতেই বেড়ে উঠেছি৷ এই যুগে একটি আবাসিক ভবনে টর্চারসেল চলবে আর কেউ এতোদিন সেটা ঘুনোক্ষরেও টের পাবেনা সেটা কি সম্ভব? আরেক বাসিন্দা তপু বলেন, কাকে, কখন এখানে এনে নির্যাতন করা হয়েছে সেটা জনসম্মুখে আনা হোক। শুধুমাত্র বিশেষ একজনকে জড়িয়ে দিতে এসব অভিযোগ তোলা হচ্ছে বলে মনে করছেন তিনি। কথিত সেই টর্চার সেলের সামনেই কথা হয় স্থানীয় প্রবীন বাসিন্দা মোঃ ইসলামের সাথে। আয়কর বিভাগে কর্মরত এই ব্যক্তি বলেন, আমার এই বয়সে আমি কখনো টর্চার সেলের কথা শুনি নাই। কোরবান আলী হত্যাকান্ডে যাদের নাম জড়ানো হচ্ছে বিশেষ করে নিশান এসবের সাথে কোন ভাবেই জড়িত নন। এখানে অন্য কোন কারণ আছে যা আপনারা সাংবাদিকরা খতিয়ে বের করতে পারবেন। এসময় সড়কে থাকা স্থানীয় এলাকাবাসিরা জড়ো হয়ে এই প্রতিবেদককে বলেন, আমাদের এলাকায় টর্চার সেল থাকলে আমরা আগে জানবো। যে বা যারা বিভিন্ন মিডিয়াতে টর্চারসেল নিয়ে কথা বলেছে তাদের বেশীর ভাগই বহিরাগত বলে পান্টা অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। 

হত্যার ঘটনার ফুটেজে যা দেখা যাচ্ছে : আলোচিত কোরবান আলী হত্যার যে সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে দেখা গেছে সেই ফুটেজের শুরুতে কোরবান আলীর সাথে মামলার ৩য় আসামী সোহেলের মধ্যে ধ্বস্তাধস্তি করতে দেখা যায়। হঠাৎ রাস্তার অপর প্রাপ্ত থেকে একটা পাথর উড়ে এসে কোরবান আলীর শরীরে পড়ার সাথে সাথে তিনি মাটিয়ে লুটিয়ে পড়ে। সিসিটিভি ফুটেজে ঘটনাস্থলে যাদের দেখা তাদের পরিচয় সম্পর্কে  মামলার বাদি রানাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি ফুটেজে দেখা যাওয়া সবাইকে এলাকার সাধারণ বাসিন্দা বলে জানায়। তবে বাংলাদেশ বুলেটিনের অনুসন্ধানে সেই ফুটেজে যাদের দেখা গেছে তাদের মধ্যে বাদি আলী রেজা রানার বন্ধু ও সহযোগীদের মধ্যে ওহি, খালিদ আরাফাত, পাপ্পু, হিমেল ও মাহমুদ নামের এক সিনিয়র ভাইকে দেখা গেছে। উল্লেখিত এসব ছেলেদের সাথে নিয়েই রানা প্রায় সময় মিটিং মিছিল সহ উঠাবসা করে থাকে এবং এই গ্রুপটি একাধিক গ্রুপ ছবি প্রতিবেদকের হাতে এসেছে৷ মামলার এজাহারে রানা ইফতারি কিনতে যাওয়ার পথে আসামীদের দ্বারা হামলার স্বিকার হন বলে দাবি করেছেন। এই সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অনেকের প্রশ্ন, রানাকে একা পেয়ে যদি হামলা চালানো হয় তাহলে ঘটনাস্থলে রানার এতোজন সহযোগী কোত্থেকে এলো ? বাদির ভাষ্য তাকে বাঁচাতে গিয়ে তার বাবা হামলার শিকার হন। তবে ফুটেজে প্রতিপক্ষ হামলাকারীদের চেয়ে সংখ্যায় রানার সহযোগীদের সংখ্যাই বেশী দেখা গেছে। 

সেদিনের ঘটনায় আরেকটি মামলা : ৫ এপ্রিলের ঘটনায় ৭ এপ্রিল একটি মামলা দায়ের করেন মোঃ মাহের খান নামক এক যুবক। তখনও কোরবান আলী চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলেন। মাহের খান পরবর্তীতে কোরবান আলী হত্যা মামলার প্রধান আসামী হয়। তবে মাহের খানের দায়ের করা সেই মামলায় আলী রেজা রানা, পাপ্পু, হিমেল ও কোরবান আলীকেও আসামী করা হয়েছে৷ মামলায় বলা হয় এই মাহের খানকে আসামীরা ৫ এপ্রিল ঘটনাস্থলে পিটিয়ে আহত করে। আহত অবস্থায় তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতলের ২৬ নং ওয়ার্ডের ২৫ সি নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন ছিলেন। 

নিশান কে নিশানায় ? : ৭১'র মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য "বীর উত্তম" খেতাব প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সিরাজুল মাওলা, এবি এর ছেলে গোলাম রাসুল নিশান। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগ থেকে অনার্স, মাস্টার্স পাশ করা নিশান ছাত্র জীবন থেকেই ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত৷ সর্বশেষ ছিলেন চবি ছাত্রলীগের সহ-সভাপতির দ্বায়িত্ব পালন করেছে৷ ১৯৭৪ সাল থেকে মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল মাওলা পশ্চিম ফিরোজ শাহ এলাকার এফ লেনে বাড়ি করে বসবাস করছে। কোরবান আলী হত্যার ঘটনার শুরু থেকেই হত্যার অন্যতম হোতা দাবী করা হচ্ছে গোলাম রসুল নিশানকে৷ এই হত্যা মামলার ৭ নম্বর আসামী নিশান ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থাকলেও পুরো ঘটনায় নিশানকেই নিশানা করা হচ্ছে। সরেজমিন এলাকায় ঘুরে হত্যা মামলার আসামীদের ছবি সহ রঙ্গিন পোস্টারেও সবার আগে নিশানের ছবি দেখা গেছে। এসবের বিষয়ে নিশান বলেন, আমি ঘটনার আশেপাশে ছিলাম না। এরপরো আমাকে অন্য কারো প্ররোচনায় আমাকে মামলার আসামী করা হয়েছে। মূলত পশ্চিম ফিরোজ শাহ আবাসিক নিয়ে একটি রেজিস্টার্ড সংগঠনের কমিটির আমি সাধারণ সম্পাদক। আমাদের কমিটি করার অনেক বছর পর আরেকটি অনিবন্ধিত সংগঠন কার্যক্রম শুরু করে। আমি এপ্রিল মাসে ঐ কমিটির কর্মকান্ডের বিষয়ে একাধিক স্টাটাস সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে শেয়ার করি। এলাকায় বসবাস করেনা এমন একজন ব্যক্তি নামসর্বস্ব সংগঠন খুলে এলাকার পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করে তুলছে। কোরবান আলী সাহেবের হত্যাকে পুঁজি করে এসব চক্র ঘোলাপানিতে মাছ শিকারে মেতেছে। আমি চাই পুলিশ যথাযথ তদন্ত করে পুরো বিষয়টি তুলে আনুন। হত্যার সাথে যে বা যারাই জড়িত থাকুক আমি সবার দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। তবে আমাকে জড়িয়ে যে অপপ্রচার চলছে আমি এসব থেকে নিস্তার চাই। 

মামলার বাদি যা বলল : ৯৯৯ এ কল করার কারণেই দ্বন্দ আর সেই দ্বন্দের কারণে বাবা হারা হয়েছেন বলে দাবি করেছেন মামলার বাদি আলী রেজা রানা। যদিও সেই ৯৯৯ এ কল দেয়ার পর কথিত নির্যাতিত সেই স্কুল ছাত্র বা তার পরিবার থানায় আজ পর্যন্ত কোন অভিযোগ করেনি কেন জানতে চাইলে রানা বলেন, ওরা হয়তো ভয়ে মামলা করেনি। সেই ৯৯৯ এর কল দেয়ায় নিশানের নেতৃত্বে একদল গ্যাং তাকেও হুমকি ধমকি করেছিল বলে জানান রানা। ফেব্রুয়ারি মাসে নিশানের এমন হুমকির বিষয়ে থানায় নিজে কেন কোন অভিযোগ বা জিডি করেননি প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ওদের ভয়ে এলাকায় কেউ মুখ খুলেনা৷ নিশান উচ্চ আদালত থেকে জামিনে এসে বাদি রানাকে হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করলেও কবে, কিভাবে হুমকি দিয়েছে প্রশ্ন করা হলে রানা বলেন, আমার বন্ধুদের বলা হচ্ছে যাতে আমি মামলা থেকে সরে আনি। আমাকে সরাসরি কেউ কিছু বলেনি৷ নিশানরা কোথাই কোথাই দলবল নিয়ে শোডাউন করেছে সেসব স্থানের নাম জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ওরা একবারই এসেছিল এলাকায়। 

জনমনে প্রশ্ন : যদি ৫ এপ্রিল আলি রেজা রানাকে প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসীরা হামলা করে তাহলে সবার আগে রানাই আহত হওয়ার কথা। অথচ রানা পুরোপুরি অক্ষত ছিলেন। উলটো আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন মাহের খান। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাওয়া একটি পাথরের আঘাতেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন কোরবান আলী। পরবর্তীতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি হাসপাতালে মারা যান৷ এখন জনমনে প্রশ্ন দুই পক্ষের মারামারির মাঝে সেই পাথরটি ছুড়লো কে ?

এই বিষয়ে আকবর শাহ থানার ওসি গোলাম রাব্বানী বাংলাদেশ বুলেটিনকে বলেন, “আমি গত বছরের ডিসেম্বরে এই থানায় জয়েন্ট করে আজ অব্দি কোথাও কোন টর্চারসেল আছে বলে আমাদের কাছে জানা নেই। এমনকি কেউ কখনো এই বিষয়ে অভিযোগ করেনি। ৯৯৯ এ কল করার পর আমাদের পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও কাউকে পায়নি। এছাড়া যে ঘটনায় ৯৯৯ এ কল দিয়েছে বলা হচ্ছে তেমন কোন ঘটনা সংক্রান্তে কেউ আমাদের কাছে অভিযোগ করেনি”। তিনি আরো বলেন, এই যে কিশোর গ্যাং এর কথা বলা হচ্ছে, “পশ্চিম ফিরোজ শাহ একটি অভিজাত এলাকা। সেখানে সমাজের সম্মানিত ও সচেতন অনেক নাগরিক বসবাস করে। যদি তেমন কিছু সেখানে ঘটতো তাহলে এতোদিনে কেউ না কেউ তো আমাদের জানাতো।” কোরবান আলী হত্যা মামলাটি এখন গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) তদন্ত করছে তাই সে বিষয়ে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।





Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy