
পালং মডেল থানার (ওসি) মেজবাহ উদ্দিন আহম্মেদ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার সদর পৌরসভার হুগলি গ্রামের সরদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
অনশনরত নারী বলেন, ‘বিয়ের আগে নাদিমের সঙ্গে আমার প্রেম ছিল। সবকিছু জেনে শুনে আমাকে বিয়ে করেছে নাদিম। বিয়ের পর নাদিমের যখন যা কিছু দরকার পড়েছে আমি দিয়েছি। এমনকি আমার গহনা বিক্রি করেও টাকা দিয়েছি। এখন সে পারিবারিক চাপের কারণে আমাকে অস্বীকার করছে। আমি অধিকার নিয়েই এই বাড়িতে এসেছি। আমি ওর সাথে সংসার করতে চাই। আপনারা সকলে আমাকে সহযোগিতা করুন।’আরও খবর পড়ুন..
নাদিম সরদারের মা বলেন, ‘আমার বাড়িতে আসা ওই নারীর আগে একটি সংসার ছিল। ওই সংসারে আমার ছেলের চাইতে বয়সে বড় দুইটি সন্তান রয়েছে। এমন সম্পর্ক মেনে নেওয়ার মতো না। তাছাড়া ওদের ডিভোর্স হয়ে গিয়েছে। এখন নতুন করে ওই মহিলা কেন আসছে বুঝতে পারছি না।’