প্রকাশ: শনিবার, ৮ জুন, ২০২৪, ১০:৩৪ এএম (ভিজিট : ১৪১)

X
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে কাপ পিরিচ প্রতীকের ৩ কর্মীকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষ প্রার্থী ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থীর উপর। এ ঘটনায় কাপ পিরিচের প্রার্থীসহ আরো ২জন আহত হবার খবর পাওয়া গেছে।
গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার কলাগাছিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন কাপ পিরিচ প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু বকর সিদ্দিক, তার কর্মী রতন গোলদার, ওই গ্রামের ইউপি সদস্য মোঃ সরোয়ার হোসেন, ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা মোঃ সোহাগ মৃধা। আরেকজনের নাম জানা যায়নি। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু বকর সিদ্দিক জানান, রাত সাড়ে ১০টার দিকে ওই গ্রামে প্রতিপক্ষ ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী ভোটারদের টাকা দিতে গেলে সেখানে ঝামেলা হয়। এ খবর শুনে আমি আমার কয়েকজন কর্মীদের নিয়ে সেখানে গেলে চেয়ারম্যান প্রার্থী জসিম উদ্দিন জুয়েল ব্যপারি ইউপি চেয়ারম্যান আবুল বাশার নাসিরের নেতৃত্বে অতর্কিত দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের কর্মীদের উপর হামলা চালায়। এ সময় রতন, সোহাগ ও সরোয়ারকে কুপিয়ে আহত করে।
আবু বকর জানান, হামলা থেকে রক্ষার জন্য স্থানীয় লোকজন প্রথমে আমাকে একটি বাসায় নিয়ে গেলে কিছুক্ষন পরে আমার উপরও হামলা চালানো হয়।
তিনি বলেন, ১দিন পর ভোট। পরপর তিনবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবএতে ঈর্ষানিত হয়ে প্রতিপক্ষরা আমার ও আমার কর্মীদের উপর হামলা চালিয়ে নির্বাচনের পরিবেশ ঘোলাটে করার অপচেষ্টা করছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে ঘোড়া প্রতিকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ জসিম উদ্দিন জুয়েল ব্যপারী জানান, গভীর রাতে ওই এলাকায় ভোটারদের টাকা দিতে গেলে স্থানীয় লোকজন আবু বকরসহ তার কর্মীদের ধাওয়া করে। এক পর্যায়ে আমার কর্মীরাও স্থানীয়দের সাথে তাদেরকে ধাওয়া করলে উভয়পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়।
জুয়েল জানায়, ঘটনার সময় সেখানে পুলিশ ছিল তারাও বিষয়টি দেখেছে। মির্জাগঞ্জ থানার ওসি হাফিজুর রহমান জানান, ঘটনা শোনার সাথে সাথে ওই এলাকায় টহলরত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। লোকমুখে শুনেছি কয়েকজন আহত হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত কোন অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ দিলে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।