চট্টগ্রামে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সংঘর্ষে এ পর্যন্ত ৩ জন নিহত হয়েছেন। তিনজনের মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রয়েছে।
নিহতদের মধ্যে একজন চট্টগ্রাম কলেজের শিক্ষার্থী, একজন ছাত্রদল কর্মী (ওয়াসিম আকরাম) এবং অপরজন পথচারী (ফিরোজ) বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন।
জরুরী বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক বাংলাদেশ বুলেটিনকে জানান, বিকেল থেকে এখন পর্যন্ত উভয়পক্ষের ৬২ জন আহতকে তারা চিকিৎসা দিয়েছেন।
ছাত্রলীগ কর্মীর পায়ের রগ কর্তন
চট্টগ্রামের মুরাদপুরে সংঘর্ষের সময় জালাল নামে এক ছাত্রলীগ কর্মীর পায়ের রগ কেটে ভবনের ছাদ থেকে ফেলে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
চট্টগ্রাম কলেজ ও মহসীন কলেজের ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা জানান, বিকেলে মুরাদপুরের সংঘর্ষের সময় আন্দোলনকারীরা জালালের (ছাত্রলীগ কর্মী) পায়ের রগ কেটে দেয় এবং তাকে ধরে নিয়ে একটি বহুতল ভবন থেকে ফেলে দেয়। এইমুহুর্তে চট্টগ্রাম মেডিকেলে ছাত্রলীগের অসংখ্য কর্মী গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছেন।
নিহত ওয়াসিম
এদিকে, মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে রংপুরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ও ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আবু সাইদ নিহত হন।
নিহত আবু সাইদ রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুরের বাসিন্দা মকবুল হোসেনের ছেলে।