
X
নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার কাইনুলীভিটা গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার পর পুলিশকে জানিয়েও প্রতিকার পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা গেছে উপজেলার সাবেক জেলা: ঢাকা, হালে: নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার কেওঢালা মৌজার , সি এস ১২৪নম্বর, আরএস ১২৪ নম্বর ৯নং দাগের নিম্নোক্ত ভূমি যার সি এস-৩০১ এস এ-২৫৬ আর এস- ৩৬৩ খতিয়ানে সি এস ও এস এ- ১৬৮৮ আর এস - ২৮০৫ দাগের ৩৪ শতাংশ হইতে ১৭ শতাংশ, ইহা হইতে ৩.৫০ শতাংশ জমির নিয়ে বিরোধ চলছে।
গত কয়েক বছরের চলমান সমস্যার কারনে ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ওই সম্পত্তির দাবিদার আব্বাস আলী পিতা মৃত ইদ্রিস আলী সাং কাইনলী ভিটা, মদনপুর,নারায়ণগঞ্জ বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হামিদুর রহমানের আদালতে নালিশি সম্পত্তি নিয়ে একটি পিটিশন মামলা দায়ের করেন, যার মামলা নং ৬১২/২০২৪।
একই দিন আদালত ওই সম্পত্তিতে কোনো প্রকার স্থাপনা নির্মাণ না করা এবং মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত উভয় পক্ষের মধ্যে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য বন্দর থানাধীন ধামগড় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোঃ হাফিজুর রহমান মানিককে আদেশ দেন।
চলতি বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর বন্দর থানাধীন ধামগড় ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে একাধিকবার পৌঁছিয়ে নালিশি সম্পত্তিতে কোনরকম কার্যক্রম না করার জন্য উভয় পক্ষকে নিজ নিজ অবস্থানে থাকার জন্য নোটিশ দেন।
কিন্তু পুলিশ গঠনস্থল ত্যাগ করলেই সাথে সাথে বিবাদীগণ পুনরায় প্রাচীর নির্মাণ কাজের কার্যক্রম শুরু করেন।
এ বিষয়ে আব্বাস আলী বলেন, আমাকে ও আমার সন্তানদের কে প্রর্তৃক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে আমার আপন ভাই আম্বর আলী, আমার ভাতিজা, মনির হোসেন,আনোয়ার হোসেন ও সাব্বির হোসেন।
সিএস, এস এ, ও আরএস, মূলে ক্রয় সূত্রে ও প্রর্তৃক সূত্রে ৩.৫০ শতাংশ জমির মালিক আমি নিজে। তাই এই জমির দাবিদার হিসেবে জমিটি আমাদের দখলে আছে।’ এ বিষয়ে বন্দর থানার অফিসার্স ইনচার্জ মো: তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘আদালতের ১৪৫ ধারা জারির আদেশ পেয়েছি।
আইনগত ব্যবস্থা নিতে পুলিশ পাঠিয়েছি তারা পুলিশ সামনে কাজ বন্ধ রাখে পরে পূনরায় আবার কাজ শুরু করে আমাদের কে জানিয়েছে ভুক্তভুগী ,এখন তাড়া পুনরায় আদালত কে ঘটনাটি জানালে আদালত যে নির্দেশ দিবে আমরা সে অনুযায়ী কাজ করবো।