নাটোরে ১২ বছরের শিশু ধর্ষণ, ২ লাখ টাকায় ধামাচাপার চেষ্টা!

নাটোর প্রতিনিধি

সারাবাংলা

নাটোরের বড়াইগ্রামে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে চার সন্তানের জনক জনৈক মোর্শারফ হোসেন মুছা(৫৫) নামের এক ব্যক্তির

2024-10-14T17:50:54+00:00
2024-10-14T17:50:54+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
নাটোরে ১২ বছরের শিশু ধর্ষণ, ২ লাখ টাকায় ধামাচাপার চেষ্টা!
নাটোর প্রতিনিধি
প্রকাশ: সোমবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৪, ৫:৫০ পিএম   (ভিজিট : ২৯১)
X

নাটোরের বড়াইগ্রামে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে চার সন্তানের জনক জনৈক মোর্শারফ হোসেন মুছা(৫৫) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। 

অভিযুক্ত ব্যাক্তি উপজেলার পারকোল গ্রামের মৃত মহির উদ্দিনের ছেলে। এলাকাবাসী ও অভিযুক্ত মুছা’র দূঃসম্পর্কের জামাই জফের আলী’র কাছে জানা যায়, গত ১১ অক্টোবর দুপুরে ঐ শিশুকে কৌশলে বাড়ীর পাশের বাঁশ বাগানে ডেকে নিয়ে ধর্ষন করে। 

এঘটনা শিশুটির ছোট বোন দেখতে পেয়ে বাড়িতে গিয়ে জানায়। পরে শিশুটির মা ঘটনাস্থলে গিয়ে মুছা কে হাতে নাতে ধরে ফেলে।

শিশুটির বাবা জীবিকার তাগিদে এলাকার বাইরে থাকায়, শিশুটির অসহায় মা একই এলাকার মিলন নামের এক কথিত সাংবাদিক এর কাছে পরামর্শ চাইলে, মিলন ও স্থানীয় কিছু ব্যাক্তি অভিযুক্ত মুছা’র সাথে গোপনে চুক্তি করে ঐ দিন রাতেই স্থানীয় জফের আলীর বাড়ীতে শালিশী বৈঠকের মাধ্যমে ২ লাখ ১০ হাজার টাকায় রফা দফা করেন। 

আরো জানা যায়, অভিযুক্ত মুছা নগদ টাকা দিতে না পারায় ১৫ দিনের সময় চাইলে, জামানাত সরুপ মুছা’র দূঃসম্পর্কের জামাই জফের আলীর নিজ নামীয় ব্যাংক চেক সাংবাদিক মিলন এর হাতে তুলে দেন। পরে সমন্বয়কারী মিলন ধর্ষণের শিকার শিশুটির পরিবার কে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে আইনগত সহায়তা নিতে নিরুৎসাহিত করে চেপে যেতে বলেন। 

অভিযুক্ত মুছা’র সাথে কথা বলতে তার বাড়ীতে গেলে, সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে মুছা ও তার স্ত্রী বাড়ী থেকে পালিয়ে যায়।

এবিষয়ে কথা বলতে চাইলে শিশুটির মা মুঠো ফোনে কোন এক ব্যক্তির সাথে কথা বলে, সাংবাদিকের সাথে অস্বাভাবিক আচরন করে কৌশলে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। বর্তমানে শিশুটি তার দাদার বাড়ী পার্শ্ববর্তী ধামানিয়া পাড়া গ্রামে অবস্থান করছে।

সমন্বয়কারী মিলন এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে, তিনি বলেন, যেখানে একজন সাংবাদিক জড়িত আছে সেখানে অন্য সাংবাদিক যেতে হবে কেন? এ বিষয় নিয়ে আপনারা কোন কিছু করবেন না, চেক নেওয়ার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি ফোন কেটে দিয়ে আর ফোন ধরেননি।

এ বিষয়ে বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ সিরাজুল ইসলাম বলেন, কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।






Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy