
X
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অফিস সহায়ক মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এ ছাড়া একই অফিসে ছয় বছর কর্মরত রয়েছেন তিনি।
তার ছয় বছরের কথা শুনলে রুপকথার গল্পকে ও হার মানায়। বাংলাদেশ বুলেটিন পত্রিকার উখিয়া প্রতিনিধির এক অনুসন্ধানে ফুটে ওঠেছে নানা অজানা তথ্য।
★ রিপোর্ট পজেটিভ করতে ২০ হাজার টাকা লাগবে - মনিরুল ইসলাম
★ যদি পুলিশ, এসআই,ওসি হত ২০-৩০ হাজার টাকা দিতে হতো - মনিরুল ইসলাম
★অফিসে তদন্ত কর্মকর্তা না থাকায় আমি অফিস সহায়ক মনিরুল ইসলাম কে তদন্তে পাঠানো হয় - ডাঃ ছৈয়দ হোসেন জানান
★সংবাদ সংগ্রহের জন্য অফিসে গেলে সংবাদ কর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দেওয়ায় কল করে ক্ষমা চাইলেন - মনিরুল ইসলাম
জানা যায়, কক্সবাজারের বিভিন্ন আদালত থেকে মামলা তদন্ত করে প্রতিবেদন পাঠানোর জন্য দেওয়া হয় উখিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডাঃ ছৈয়দ হোসেন এর কাছে। এসব মামলার দুইপক্ষ কে নোটিশ দিতে যান অফিস সহকারী মনিরুল ইসলাম। ঘটনাস্থানে গেলে বাদী ও বিবাদী কে নোটিশ দিয়ে আসার সময় বাদী পক্ষ থেকে ২০ হাজার টাকা চান রিপোর্ট সঠিক দেওয়ার জন্য বাদী পক্ষ গরীবও অসহায় হওয়ায় টাকা যোগাড় করতে না পেরে ৪ হাজার হাজার টাকা দিতে চায়। টাকা কম হওয়ায় গাড়ি ভাড়া হিসেবে জন্য ৫শ টাকা নিয়েছেন বলে জানান অফিস সহায়ক মনিরুল ইসলাম।
এছাড়া ভ্যাকসিনে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, অফিস সহায়কের পদে চাকরি করে কৃত্রিম প্রজনন করাসহ বিভিন্ন কৌশলে অবৈধভাবে টাকা নেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
টাকা দিলে LDDP প্রকল্পে সার্টিফিকেট যাচাই-বাছাই না করে ভ্যাকসিনেটর নিয়োগের জন্য সুপারিশ করেন উপরের কর্মকর্তা কে একই অফিসে দীর্ঘ ছয় বছর কাজ করায় অফিসের কর্মকর্তার কাজ করে যান অফিস সহায়ক মনিরুল ইসলাম। তিনি এলাকায় গিয়ে পশুকে ভ্যাকসিন দেন।
জানা যায়, অফিসে তার রয়েছে বিশাল দাপট। কেউ তার সম্পর্কে মুখ খুলতে পারে না। তার অনিয়ম দেখে কিছু দিন পূর্বে তাকে শোকজ করেন উখিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডাঃ ছৈয়দ হোসেন। প্রতি বছর সরকারি বিভিন্ন নামে প্রায় ৮০ ধরনের ঔষধ বরাদ্দ দেন যার মূল্য প্রায় ৪৮ হাজার টাকা। তবে দশ মাসে প্রায় ৬০% শেষ হয়েছে। আগের অফিসারের আমলে ঔষধ নষ্ট হয়ে যেত বলে জানান । উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডাঃ ছৈয়দ হোসেন। তবে গণমাধ্যম কর্মীর প্রশ্নে বরাদ্দ ও ঔষধের কোনো ডকুমেন্টস দেখাতে পারেননি কর্মকর্তা। গোপন সংবাদে জানা যায় সরকারি ঔষধ বিক্রির কথা যার মধ্যে রয়েছেন প্রিবেক্স ট্যাবলেট ওরাকেল-ভেট সিরাপ
এগনাসকাষ্ট, আর্টিকা ইউরেন্স,প্রোনাপেন ইনজেকশন,ইত্যাদী আরো জানা যায়। কোটবাজার আল্লাহর দান - উখিয়া আল্লাহর দান ইত্যাদি কয়েকটি দোকানিকে কারণ দর্শনের নোটিশ দিলেও কোনো পদক্ষেপ নেন নি কর্মকর্তা ।
ভুক্তভুগীর জানান, উখিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অফিস সহায়ক মনিরুল ইসলাম তিনি দীর্ঘ ০৬ বছর একই অফিসে চাকরি করে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি করে আসছেন। আমি একজন অসহায় গরিব পরিবারের সন্তান আমার সব দুঃখ কষ্ট বুঝিয়ে বলার পরেও মনিরুল ইসলাম আমার থেকে ২০ হাজার টাকা চাইল পরে অফিসে গিয়ে আমাকে বিরক্ত করে ১৫০০ হাজার টাকা নিয়েছেন। এই টাকা যোগাড় করতে আমার অনেক কস্ট হয়েছে। এক সংবাদ কর্মী আমার পাশে থাকায় তিনি সেই সংবাদ কর্মীর সাথে আমার খারাপ সম্পর্ক রয়েছেন বলে মিথ্যা অপবাদ দিয়েছেন।
যা আমার মান সম্মান নষ্ট হয়েছে। আমি এর সুস্থ বিচার চাই
এসব অভিযোগ প্রসঙ্গে অফিস সহায়ক মনিরুল ইসলাম ' সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান। আমি ছয় বছরে ৩ টি মামলার বিষয়ে এই রকম গেছি তবে কয়েকদিন আগে একটি মেয়ের বিষয়ে নোটিশ টা দিতে গেছি ভোক্তভোগী মেয়েটা এসে আমাকে তার দুঃখ কষ্টের কথা বলেন,এবং রিপোর্ট টা দ্রুত পাঠিয়ে দিয়ে তার স্বামী কে দ্রুত এরেস্টের কথা বল্লে এই বিষয়ে এই সব আমার কাজ নই বলি পরে আমি দুষ্টামি করে বলেছি, আমাদের স্যার টাকা খাইনা এই রিপোর্ট যদি পুলিশ এসআই ও ওসি হতো ২০-৩০ হাজার টাকা দিতে হতো তবে আমাকে আসার সময় ৪ হাজার টাকা দিবে বলেছিল আমি নি নাই তবে কিছু গাড়ি ভাড়া নিয়েছি।
তিনি আরো বলেন স্যার আসার পর থেকে মাত্র দুইটা মামলা ডিল করতে দিছে আরেকটা আমাকে ডিল করতে দেননি। আমি চাকরি করি বলে এত গরিবের ছেলে নই তবে ছোট্ট একটি পোস্টে চাকরি করি।
কয়েক দিন আগে স্যার আমার বিরুদ্ধে ও একশন নিয়েছেন স্যার কাউকে অপরাধ করলে ছাড় দেননি । উখিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডাঃ ছৈয়দ হোসেন জানান। আমাদের অফিসে তদন্ত কর্মকর্তা না থাকায় অফিস সহায়ক মনিরুল ইসলাম কে তদন্ত করার জন্য পাঠিয়েছি। তবে সে নিজে যানে আমি টাকা নিব না তাই সে মেয়েটির কাজ থেকে টাকা নেননি । তবে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ আসে কয়েকদিন আগেও সে অনিয়ম করায় তাকে চৌকস করা হয়ছে।