প্রকাশ: বুধবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৪, ৮:১০ পিএম (ভিজিট : ১৬৫)

X
লালমনিরহাটের আলোচিত শ্রমিকলীগ নেতা ফখরুল ইসলাম বুলেট হত্যার রায় ঘোষিত হল আজ। আমিনুল খান সহ ৩ জনের যাবজ্জীবনের আদেশ দেন বিজ্ঞ আদালত।
বুধবার (১৬অক্টোবর) দুপুরে লালমনিরহাট জেলা সিনিয়র দায়রা জাজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক আবিদ আলী আলোচিত বুলেট হত্যার রায় পড়ে শোনান। মামলার সংক্ষিপ্ত রায়ে বিজ্ঞ বিচারক আসামী আমিনুল খান, বিপুল খান, মজিদুল কসাইকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থ দন্ড দেন। মামলায় মোট ১১ জন কে আসামী করা হয়। মামলার চার্জ গঠনের সময় দুইজনকে অব্যাহতী দেওয়া হয়। একজন আসামি মৃত্যুবরণ করে, অপর ৫ আসামীকে বিজ্ঞ আদালত বেকসুর খালাস দেন।
উল্লেখ্য যে, লালমনিরহাট সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের বাফার গোডাউনের আধিপত্য বিস্তার কে কেন্দ্র করে বুলেট কে হত্যা করা হয়। ২০১৫ সালের ২৭ জুন সন্ধ্যায় মোবাইল ফোনে ফখরুল ইসলাম বুলেট কে ডেকে নিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসী আমিনুল খান সহ অপর আসামিরা। নিহত ফখরুল ইসলাম বুলেট মোবাইল পেয়ে মহেন্দ্রনগর বাজারের খান মার্কেটে পৌছালে, সন্ত্রাসী আমিনুল ইসলাম খান বিপুল খান, মসজিদুল কসাই সহ অন্যান্য আসামী মাংস কাটার ধারালো চাকু দিয়ে তার হাত পা বিচ্ছিন্ন করে হত্যা করে। নিহত বুলেট জাতীয় শ্রমিকলীগ মহেন্দ্রনগর শাখার সভাপতি ছিলেন। স্থানীয় আধিপত্য বিস্তার কে কেন্দ্র করে ফখরুল ইসলাম বুলেট বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়। পথের কাঁটা সরাতে সন্ত্রাশী আমিনুল খান পরিকল্পিত ভাবে ফখরুল ইসলাম বুলেট কে হত্যা করেন বলে জানায় নিহত বুলেটের পরিবার।
নিহত ফখরুল ইসলাম বুলেট মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের স্কুল শিক্ষক এনামুল মাষ্টারের পুত্র। পুত্র হত্যার বিচার চেয়ে লালমনিরহাট সদর থানায় ২০১৫ সালে ১১ জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন এনামুল মাষ্টার। আসামীরা আওয়ামীলীগ নেতার ছত্রছায়ায় থাকার কারনণে মামলার রায় বিলম্বিত হয়।গত ০৫ আগষ্ট সরকার পরিবর্তন হলে আলোচিত বুলেট হত্যার মামলাটি আলোর মুখ দেখে।
মামলার রায় প্রসঙ্গে নিহত বুলেটের স্ত্রী নুসরাত জাহান ঝুমা বলেন, আমার স্বামীর হত্যাকারী খুনী আমিনুল খানের যাবজ্জীবন রায় হওয়ায় আমরা সন্তুষ্ট, অনতিবিলম্বে পুলিশ খুনী আমিনুল খান সহ অপর আসামীদের গ্রেফতার করে রায় কার্যকর করার দাবী জানাই।