আ.লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে ‘অভ্যুত্থানের মামলা’ চালাতে চান না বাদী

নিজস্ব প্রতিবেদক

সারাবাংলা

গত বছরের ৪ আগস্টছাত্রজনতার আন্দোলনের সময়সুনামগঞ্জ পৌর শহরে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন মো. জহুর আলী (৩০)। পুলিশ তাঁর পায়ে অস্ত্র

2025-01-15T21:18:28+00:00
2025-01-17T20:46:11+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
আ.লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে ‘অভ্যুত্থানের মামলা’ চালাতে চান না বাদী
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বুধবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৫, ৯:১৮ পিএম  আপডেট: ১৭.০১.২০২৫ ৮:৪৬ পিএম  (ভিজিট : ২৯৮৮)
X

গত বছরের ৪ আগস্ট ছাত্রজনতার আন্দোলনের সময় সুনামগঞ্জ পৌর শহরে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন মো. জহুর আলী (৩০)। পুলিশ তাঁর পায়ে অস্ত্র ঠেকিয়ে গুলি করে। ঘটনার এক মাস পর তাঁর বড় ভাই হাফিজ আহমদ বাদী হয়ে একটি মামলা করেছিলেন। 

সেই মামলায় ৯৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। এ মামলায় সাবেক পরিকল্পনামমন্ত্রী এম এ মান্নান, সুনামগঞ্জের সাবেক সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিকসহ ১১৯ জন গ্রেপ্তার হয়ে জেল খেটেছেন। একই মামলায় আদালতে স্বেচ্ছায় হাজির হয়ে বর্তমানে জেলে আছেন সুনামগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র নাদের বখতসহ সাতজন।

সম্প্রতি আদালতে হাজির হয়ে বাদী ও জখমি দুই ভাই আপসনামা দিয়েছেন। তারা বলেছেন, আসামিদের জামিন পেতে তাদের পক্ষ থেকে কোনো আপত্তি নেই। এ মামলা চালাতে তারা আর আগ্রহী নন। সুনামগঞ্জের দ্রুত বিচার আদালতের বিচারক নির্জন কুমার মিত্র আপসনামার আবেদনটি মামলার নথিতে রেখেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন আদালতের সাধারণ নিবন্ধক নুরুল আলম।
এর আগে মামলা দায়েরের ১ মাস ২০ দিন পর হাফিজ আহমদ আদালতে হলফনামা দিয়ে বলেছিলেন, ঘটনার বিষয়ে তিনি কোনো কিছু জানেন না, কোনো আসামিকে চেনে না। 

গুলিতে আহত সেই মো. জহুর আলী এখন কিছুটা সুস্থ। আদালতে আপসনামা দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে তিনি বলেন, আমি আগেও বলেছি, আমার ভাই (বাদী) সহজ-সরল মানুষ। আমি তখন ঢাকায় চিকিৎসাধীন ছিলাম। ভাইকে ভুল বোঝানো হয়েছে। আমাকে গুলি করছে পুলিশ। আমি এখনও পুলিশের বিচার চাই। কিন্তু একজন সাংবাদিক আওয়ামী লীগের সবাইকে আসামি দিয়ে ব্যবসা করেছে।

বাদী হাফিজ আহমদও একপর্যায়ে স্বীকার করেন, তিনি এত লোককে আসামি দিতে চাননি। ওই সাংবাদিকই সব করেছেন। আদালতে দেওয়া হলনামায় তিনি লিখেছেন, ঘটনার দিন তিনি নিজ বাড়িতে ছিলেন। তাই তিনি ঘটনার বিষয়ে কোনো কিছু জানেন না। আসামিদেরও চিনেন না।

গুলিবিদ্ধ জহুর আলী বলেন, যেহেতু পুলিশ আমাকে গুলি করেছে, তাই পুলিশের বিরুদ্ধে এ মামলা করার কথা ছিল। পরে দেখা যায়, মামলায় ৯৯ জন আসামির নাম। নাম ছাড়া আরও আসামি ২০০ জন। পরে মামলা নিয়া ব্যবসা শুরু হয়। টাকা নিয়ে জেলে ঢুকায়, বের করে। মামলায় যাদের নাম নাই তাদেরই পুলিশ ধরে বেশি।





Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy