আওয়ামী লীগ তাদের অফিশিয়াল ফেসবুক পেইজে ১ থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে, সে বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকার কঠোর অবস্থান জানিয়ে দিয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে বলা হয়েছে, বিচার শেষ হওয়ার আগে এবং ক্ষমা না চাইলে আওয়ামী লীগকে কোনো কর্মসূচি পালন করতে দেওয়া হবে না।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, সরকারের অবস্থান খুবই স্পষ্ট। আওয়ামী লীগের টপ লিডারশিপ জুলাই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের রিপোর্টের ১৭ তম পাতায় আছে, শেখ হাসিনা নিজেই সরাসরি নির্দেশ দিয়েছেন গুম ও কিলিংয়ের। তারা অফিসারদের সঙ্গে কথা বলেছে এবং কর্মকর্তারা হিউম্যান রাইটস ওয়াচকে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রেস সচিব আরও বলেন, এত বড় একটা হত্যাকাণ্ড হলো বাংলাদেশের ইতিহাসে। আপনার আমার চোখের সামনে বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েদের খুন করা হলো। শত শত ছেলে অন্ধ হয়ে গেছে। অনেকে সারা জীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে গেছে। তারা আবার বলছে, তিন হাজার পুলিশ মারা গেছে। কত বড় জালিয়াতি, মিথ্যা কথা।
প্রসঙ্গত, অন্তর্বর্তী সরকারের পদত্যাগ দাবিতে এবং হরতাল-অবরোধ কর্মসূচি বাস্তবায়নে ১ ফেব্রুয়ারি থেকেই মাঠে নামার ঘোষণা দিয়েছে দলটি। কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী ১ থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি দাবির লিফলেট বা প্রচারপত্র বিলি করবে আওয়ামী লীগ।
৬ ফেব্রুয়ারি দেশে প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ আর ১০ই ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ। এরপর ১৬ ফেব্রুয়ারি অবরোধ এবং ১৮ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী সকাল-সন্ধ্যা সর্বাত্মক ‘কঠোর’ হরতাল কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।